মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের ‘তিন-চার বছরের মধ্যে মসলা জাতীয় পণ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে’  ‘ভারতের মুসলমানরা বাইরের কেউ নন, আমাদেরই ভাই’ ‘স্বপ্নসিঁড়ির’ নাতে রাসুল প্রতিযোগিতা, ওমরাহসহ লক্ষাধিক টাকার পুরস্কার

বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশকে ঋণ দিচ্ছে এডিবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার ঋণসহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে উন্নয়ন সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় এডিবির প্রধান কার্যালয়ে এই অর্থ অনুমোদন করা হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এই সহায়তা অবদান রাখবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এ ঋণের আওতায় এডিবি আন্তসীমান্ত বাণিজ্যের দক্ষতা, পূর্বাভাসযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার উন্নতির মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে সহায়তা করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি বলেছে, বাংলাদেশ রফতানি গুণগতমান উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি সই এবং সীমান্ত এজেন্সি ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের মাধ্যমে বাণিজ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে রফতানি বহুমুখীকরণ এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য সুবিধার কৌশলগুলো চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ তাদাতেরু হায়াশি বলেছেন, এডিবির সহায়তা শিল্পায়ন এবং বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাতে সরকারকে সহায়তা করবে। প্রকল্পটি রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণ এবং নতুন নতুন রপ্তানি বাজার খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাজারে রপ্তানি বাড়াতে সহায়তা করবে।

এই ঋণের ৯ কোটি ডলার বাংলাদেশের শুল্ক আইনি কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত, কার্গো ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ার উন্নতি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা জোরদার করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারে সহায়তা করবে।

প্রকল্পের ৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার আখাউড়া, সোনামসজিদ এবং তামাবিল সীমান্ত ক্রসিং পয়েন্টে, এনবিআর এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির সমন্বিত স্থল শুল্ক স্টেশন এবং স্থলবন্দর নির্মাণ করা হবে। আর ১৫ লাখ ডলার ব্যয় করা হবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নে। শুল্ক আইনি কাঠামোর আধুনিকীকরণ, সীমান্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়সাধন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শুল্ক কার্যক্রম বাস্তবায়ন, এনবিআরের সক্ষতা বৃদ্ধিসহ শুল্ক ও বাণিজ্যবিষয়ক অন্য সব কাজে প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটানো হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ