মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

বিশ্বে খাদ্য সংকটের জন্য দায়ী রাশিয়া: ইইউ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট বেড়ে যাওয়ায় মস্কোকে দায়ী করা হচ্ছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানে গমের মজুদ লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো এবং জাহাজের মাধ্যমে কিয়েভ হতে খাদ্যশস্য বহন ব্যাহত হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১১ এপ্রিল) ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক এ কথা জানান। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পর সংবাদ সম্মেলনে জোসেফ বোরেল বলেন, বর্তমানে তারা (রাশিয়া) বিশ্বে খাদ্য ঘাটতির প্রধান কারণ। কেননা, ইউক্রেনের বিভিন্ন নগরীতে বোমা হামলা চালানো এবং দেশটি থেকে খাদ্যশস্যের যোগান বন্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বে খাদ্য সংকট অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, মস্কো যখন পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে ‘খাদ্যের ঘাটতি এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যের জন্য দায়ী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে, তখন রাশিয়াই বন্দরে গম আটকিয়ে এবং গমের ভাণ্ডার ধ্বংস করে বিশ্বে মন্দা সৃষ্টি করছে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘ বিশ্বে খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করার পর তার এই মন্তব্য এলো। জাতিসংঘ জানিয়েছিল, মার্চ মাসে বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলছে, গত তিন বছরে বিশ্বব্যাপী গম ও ভুট্টা রফতানির প্রায় ৩০ শতাংশ রাশিয়া এবং ২০ শতাংশ ইউক্রেন থেকে হয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা অনুমান করছে, পশ্চিম আফ্রিকা এবং সাহেল অঞ্চলে (উভয়ই রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় শস্যের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল) যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তবে জুনের মধ্যে ৩ কোটি ৮০ লাখের বেশি লোককে আরও দুরবস্থার সম্মুখীন হতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ