মুহাম্মাদ ইশতিয়াক সিদ্দিকী, হাটহাজারী প্রতিনিধি।।
বৃহত্তর সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বন্যাদূর্গত অসহায় মানুষের পাশে যার যার সাধ্যমত সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়ানোর জন্য আলেম-উলামা, যুবক, তরুণ সমাজসহ সক্ষম সর্বস্তরের জনতার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া।
আজ (১৯ জুন) রোববার এক বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ইসলাম সাম্য, সহমর্মিতা, মানবতা ও ইনসাফের শিক্ষা দেয়। ইসলাম মনবিকতাবোধের জায়গায় ধর্ম, বর্ণ ও ভাষাগত কোন তারতম্য করে না। সুতরাং দল-মতের ঊর্ধ্বে সকল মানুষকে সমান বিবেচনা করে সহযোগিতা নিয়ে অসহায় আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো স্বচ্ছল জনসাধারণের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
ব্যক্তিগত বা সম্মিলিত উদ্যোগে যার যার এলাকায় ত্রাণসামগ্রী, নগদ অর্থ ও খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে দূর্গত ও বিপর্যস্ত মানুষের মাঝে বিলি-বণ্টনের উদ্যোগ নিন। ফারেগীনে দারুল উলূম হাটহাজারীসহ সকলে নিজেরাও ত্রাণ ও সেবা কাজে শরীক হোন এবং অন্যদেরকেও উদ্বুদ্ধ করুন।
আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বলেন, ইতিমধ্যেই পত্রপত্রিকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বন্যা দুর্গত এলাকার যেসব চিত্র ও খবর আসছে তাতে জানা যাচ্ছে, টানা বৃষ্টি ও হিন্দুস্তান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের বিভিন্ন জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে।
বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় বাঁধ ও পাকা রাস্তাসহ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেওয়া লোকজন বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও শৌচাগারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বন্যা কবলিত এলাকার সব উঁচু বাঁধ, পাকা সড়ক ও বিভিন্ন উঁচু প্রতিষ্ঠানে বানভাসি পরিবারগুলো তাদের গবাদিপশু নিয়ে বাস করছে। চাহিদা মতো ত্রাণ পাচ্ছেন না তারা। এসব এলাকার মানুষ যে অত্যন্ত করুণ ও মানবেতর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে, সহজেই বুঝা যায়। উপদ্রুত অনেক এলাকায় তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় রাতের বেলায় গভীর অন্ধকারে চোর-ডাকাতের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনেক জায়গায় সচল নেই।
তিনি বলেন, প্রশাসনসহ বিভিন্ন à