শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

৫ কারণে দাম বেড়েছে ডিম ও মুরগির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রংপুরে ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে ৫ কারণে। খাদ্য- শ্রমিকের মৃল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুত সংকট, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম ও চিকিৎসা ঠিক মত দিতে না পারায় ডিম ও মুরগির দাম বেড়েইে চলছে। ফলে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে জড়িত খামারীরা উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছেন না।

রংপুর পল্ট্রি মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় ডিম ও মাংস উৎপাদনের প্রান্তিক খামার রয়েছে প্রায় এক হাজার। ডিম উপাদনের প্রান্তিক খামার রয়েছে প্রায় ১০০ টি এবং মাংস উৎপাদনের খামার রয়েছে ৯০০ ওপর। এছাড়া ইন্ডস্টিয়াল খামার রয়েছে ৩/৪টি।

খামারীরা জানান, আগে একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হত ৫ টাকা ৭০ পয়সা। বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা। খামারীরা পাইকারি পর্যায়ে ডিম বিক্রি করছেন ১০ টাকা ৭০ পয়সা। ভোক্তরা ডিম কিনছেন প্রতিপিস ১২ থেকে ১৩ টাকায়। এছাড়া আগে পাকিস্তানি কক মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১৬০ টাকা।

বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১১০ টাকা তা বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৬০ টাকা। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি পেয়ে ভোক্তা পর্যায়ে যেতে প্রতি কেজি মুরগির দাম গত কয়েকদিরে তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

এছাড়া ডিমের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। রংপুর জেলায় প্রতিদিন ডিমের চাহিদা রয়েছে ১৫ লাখ পিছ। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে ১০ লাখ পিছের কিছু ওপরে। এসব ডিমের মধ্যে প্রান্তিক খামারীরা উৎপাদন করছে ৩ লাখ পিছ এবং ইন্ডস্ট্রিয়াল পর্যায়ে উৎপাদন হচ্ছে ৭ লাখ পিছের বেশি।

জানাগেছে, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম, খাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ সংকট ও চিকিৎসা সংকটের কারণে ডিম ও মুরগি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছেন না খামরীরা। ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। সেই সাথে দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিম ও মরগির দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।

মানিকনগর এলাকার জিহাদ মিয়া জানান, আগে তাদের বাড়িতে প্রতিদিন ডিম লাগত ৬ পিছ। দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন তারা ৩/৪ পিছ ডিম দিয়ে প্রতিদিনের চাহিদা মিটাচ্ছেন।

আরেক ভোক্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, খামারী ও ইন্ডাস্টিয়াল উৎপাদকারিরা যোগসাজস করে ডিম ও মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জেলা পল্ট্রি শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা আকবর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আরমানুর রহমান লিংকন বলেন, গত এক বছরে মুরগির খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কমে যাওয়ায় ডিম এবং মুরগির দাম বেড়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ