সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের বিকল্পে হেফাজতের দুই প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আলেমদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণে ভাস্কর্যের পরিবর্তে লিখিত ইতিহাস, প্রামাণ্য দলিল ও নথি সংরক্ষণ এবং জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে আন্দোলনের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্য স্থাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান এ দুই প্রস্তাব দেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ভাস্কর্যগুলো অবিলম্বে অপসারণেরও দাবি জানান।

হেফাজতের নেতৃদ্বয় বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ বৈধ নয়। তাই আলেম ও আন্দোলনকারীদের স্মৃতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও শরিয়তসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

ভাস্কর্যের পরিবর্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস সংরক্ষণে জাদুঘরে লিখিত ইতিহাস, প্রামাণ্য দলিলপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথি সংরক্ষণ এবং প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছে হেফাজত।

সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আন্দোলনের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব। একই সঙ্গে এতে ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে না।

হেফাজতের দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর ও ২০২১ সালের মোদি-বিরোধী আন্দোলনসহ ইসলামের জন্য আলেম ও তৌহিদি জনতার ত্যাগের ইতিহাস এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা।

বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করে, আলেম ও তৌহিদি জনতার বিভিন্ন আন্দোলন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন।

হেফাজতের আমির ও মহাসচিব বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ জাতি অবশ্যই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তবে স্মৃতি সংরক্ষণের পদ্ধতি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া জরুরি।

তারা আরও বলেন, অতীতে ভাস্কর্য ও মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক আলেম জীবন দিয়েছেন ও কারাবরণ করেছেন। তাদেরই অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণকে তারা ‘মর্মান্তিক ও নজিরবিহীন বৈপরীত্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জুলাই জাদুঘরে স্থাপিত ভাস্কর্যগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়ে হেফাজতের নেতৃদ্বয় বলেন, ইতিহাস ও আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ করতে হবে; তবে তা ইসলামি মূল্যবোধ ও শরিয়তের বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদ্ধতিতে হওয়া উচিত।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ