রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

মাহফিলকে বিনোদন বানায় এমন বক্তাদের দাওয়াত দেবেন না: আল্লামা ওবায়দুল্লাহ ফারুক


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মাহফিলকে বিনোদন বানানো বক্তাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রবীণ আলেম ও রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শায়খুল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী

আবহমানকাল ধরে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজ, সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে ওয়াজ-মাহফিল। শীত মৌসুমে দেশের শহর-গ্রামে মাহফিলের আয়োজন করা হয় একটু ঘটা করেই। বক্তার কথা শোনে নিজের ভেতর পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সাম্প্রতিককালে মাহফিলের মঞ্চগুলোতে কিছু কিছু বক্তার আলোচনা, কথা বলার ভঙ্গি- বিভিন্ন সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি করেছে।
ওয়াজের প্যান্ডেল যেন কেমেডি আর হসি-ঠাট্টার আসর

এমন বক্তাদের বিষয়ে শুরু থেকেই সরব ধর্মীয় সচেতন মহল। শীর্ষ ও প্রথম সারির আলেমরা বক্তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে সবসময় সতর্ক করছেন। এবার সরাসরি এমন বক্তাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রবীণ আলেম ও রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার (বারিধারা মাদরাসা) শায়খুল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক কাসেমী। 

মাহফিল আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ করে আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, ‘মাস্তান টাইপে’র বক্তাকে কোনোদিন ওয়াজ-মাহফিলে দাওয়াত দেবেন না। একইসঙ্গে যারা মানুষের তৃপ্তি মেটায় এবং জলসাকে (মাহফিল) বিনোদন বানায়, এদেরকেও দাওয়াত দেবেন না’।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় তাকে।

তিনি মাহফিল আয়োজকদের উদ্দেশে আরও বলেছেন, ‘ফালতু ওয়ায়েজকে (ব্ক্তা) দাওয়াত দিয়ে যে টাকা দেবেন- ওটাও হারাম, আর যে মজলিস করলেন, এটাতেও আল্লাহর লা’নত ও গজব পড়বে, এখানে আল্লাহর কোনো রহমত আসবে না’।

তিনি আয়োজকদের সতর্ক করে বলেন, আর যদি এরকম বক্তাদের দাওয়াত দিয়ে ওয়াজ করান, তাহলে যতক্ষণ তার ওয়াজ চলবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর লানত বর্ষণ হবে।

তিনি আরো বলেন, অনেক বক্তা আছেন, রাতে ওয়াজ করেন কিন্তু ইশার নামাজও পড়েন না, ফজরও পড়েন না। অথচ এদেরকে আপনারা ‘আল্লাহর বড় ওলী’ হিসেবে দাওয়াত দিয়ে আনছেন।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এসব বক্তাদের মধ্যে যে যত বড় জাহিল, তার বাজেট তত বেশি। যত জাহিল, তাদের প্রতি আয়োজকদের খাহেশ তত বেশি।

মাহফিলের পবিত্র এ ময়দান রক্ষায় তিনি এমন সব বক্তাকে দাওয়াত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যারা প্রকৃতপক্ষেই দ্বীনের আলোচনা করেন। সেক্ষেত্রে অনেক মানুষের উপস্থিতির দরকার নেই বলেও মত দেন আল্লামা ওবায়দুল্লাহ ফারুক।

তিনি বলেন, (এরকম বক্তা দাওয়াত দিলে) মাহফিলে যদি মাত্র ৫০০ মানুষও আসে আলহামদুলিল্লাহ। ৫ লাখ মানুষের কোনো প্রয়োজন নেই।

সবশেষে তিনি বলেন, যদি আমরা এই লাইনে মেহনত করতে পারি, তাহলে এই জাতি গঠনে খুবই ফলপ্রসু কাজ হবে ইনশাআল্লাহ।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ