মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

হিন্দুরাও ‘রোজা’ রাখেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Rajasthan Tourism_Logoআওয়ার ইসলাম ডেস্ক : ভারত যে শুধু সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার দেশ তা নয়, সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতিও আছে কোনো কোন প্রদেশে। ভারতের রাজস্থানের বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই আছে ধর্মীয় সম্প্রীতির নিদর্শন। এখানে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণ উভয়ের ধর্মের প্রতি সহানুভূশীল। হিন্দুদের দিওয়ালি ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেমন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করে ঠিক তেমনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও সেখানে ‘রোজা’ রাখে। অর্থাৎ রোজার মাসে মুসলমানদের মতো তারাও নির্দিষ্ট একটা সময় পানাহার থেকে বিরত থাকে।

রাজস্থানের এসব গ্রামের অনেক হিন্দু লোকজন এবারও তাই রাখছেন। শুধু তাই নয়, মুসলমান প্রতিবেশীদের মতো করে তারা মসজিদেও যান। তবে সেটা যতটা না প্রার্থনা, তারচেয়ে বেশি সংস্কৃতি। এখানকার এ নিয়ম চলে আসছে বহুকাল ধরেই। কেউ বলতে পারে না কীভাবে এ নিয়ম চর্চা করা শুরু হয়। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে অনেক হিন্দু আসে এ অঞ্চলে। বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই কে মুসলিম বা কে হিন্দু তা বোঝা যায় না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম / ওএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ