রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

রোহিঙ্গা নিয়ে কমিশন গঠন হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ruhinga

 

আওয়ার ইসলাম : মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় সম্পর্কিত একটি কমিশন গঠন করবে দেশটির সরকার যার প্রধান হবেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। এই কমিশন মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহিংসতা ও তাদের ঘিরে দেশটিতে যে সংকট রয়েছে তার সমাধান খোঁজার জন্য কাজ করবে।

তবে, নতুন এই কমিশন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে চলমান সংকট নিয়েও কাজ করবে কিনা সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।

জাতিসংঘের ভাষায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষজন বিশ্বের সবচাইতে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর একটি। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বাস, যারা পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিক নয়।

দেশটি রোহিঙ্গাদেরকে তার নাগরিক মনে করে না। বরং মিয়ানমার মনে করে তাদের আদি আবাস বাংলাদেশ। এমনকি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারেও দেশটির সরকারের আপত্তি রয়েছে।

দেশটির গনতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সাং সুচি বহুদিন যাবত রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোন মন্তব্য করেন নি। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এই নেত্রী রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানে কথা বলবেন সেটা অনেকেরই প্রত্যাশা ছিলো। তবে এখন এই কমিশন গঠন তার ভূমিকা পরিবর্তনের ইংগিত দেয়।

এতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রতি অং সাং সুচির নিতি ছিলো সমস্যার মোকাবেলা নয়, বরং তা রাখাইন প্রদেশেই সীমাবদ্ধ রাখা। একটি কমিশন গঠনের এই সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে বলে তিনি জানান।

কফি আনানকে এর প্রধান করার ইংগিত হলো অং সাং সুচি সম্ভবত রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে নতুন চিন্তা ধারার কথা অন্তত শুনতে রাজি হয়েছেন।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে বৌদ্ধদের হাতে নির্যাতনের শিকার বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তাদের অনেকেই বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে।

বাংলাদেশে কক্সবাজার এলাকাতেই তাদের একটা বড় অংশ বাস করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়িতেও কিছু রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সরকারের রেজিস্টার্ড ক্যাম্পগুলোতে ৩৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাস করে।

কিন্তু বলা হয় বাংলাদেশে তাদের মোট সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো। বাংলাদেশে তাদের শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি নেই এবং পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার প্রসঙ্গটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বহুদিন যাবত একটি ইস্যু হয়ে রয়েছে।

ওএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ