শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

হাজিদের সেবায় সৌদি শিশুদের অনন্য দৃষ্টান্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

saudi_children_hajjআওয়ার ইসলাম: সেবা ইসলামের অন্যতম গুণাবলির একটি। জনসেবার মধ্যে লুকিয়ে আছে মানুষের মুক্তি। হজ মৌসুমে সৌদি আরবের হাজারও কোম্পানি এবং ব্যক্তি উদ্যোগে হাজিদের সেবা দেয়া হয়। তবে এ কাজে পিছিয়ে নেই সৌদি শিশুরাও। সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে চমকপ্রদ গল্প।

সওয়াবের আশায় কেবল বয়স্করাই সেবামূলক কর্মকাণ্ড করবেন এমনটাই সবাই মনে করেন। তবে এমন ধারণা পাল্টে দিচ্ছে সৌদি আরবের শিশুরা। তারাও এগিয়ে আসছে জনসেবায়। হাজিদের কষ্ট লাঘবে কাজ করছে প্রাণপণ।

এমনই দুই শিশুকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সৌদি গেজেট। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে তারা মক্কায় আগত হাজীদের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল এবারের হজে। নিজের কষ্টের কথা ভুলে হাজিদের কষ্ট দূর করতে কাজ করেছে।

প্রতিবেদনে প্রকাশিত দুই ভাইয়ের নাম মাজেন আল-জাহরানি ও বাসিম আল-জাহরানি। বয়স ১০ বছরের কাছাকাছি। দক্ষিণের আল-বাহা এলাকা থেকে দুজনেই মা-বাবার সঙ্গে হজ করতে আসে।

হজে এসে দুই ভাই মক্কার আজিজিয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বেছে নেয়। মিনার কাছে হওয়ায় এখানে হাজীদের বড় একটি সংখ্যা অবস্থান করে থাকেন। আর অবসর সময়ে তাদের মাঝে খাবার, পানি ও চা বিতরণ করেন দুই ভাই।

তাদের বক্তব্য, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং সওয়াবের আশায় তারা এ কাজ করেছেন। আল্লাহর এ অনুগ্রহপূর্ণ দিনগুলোতে এ কাজ করতে উৎসাহিত করেন তাদের মা-বাবা। ছোট থেকেই তারা এ কাজের তালিম পান ঘর থেকে।

মাজেন ও বাসিম জানান, হাজিদের সেবার জন্য তারা অল্প অল্প করে টাকা সঞ্চয় করেন সারা বছর। আর সেই টাকা দিয়ে কেনা খাবার, পানি ও চা হজের সময় আগত আল্লাহর মেহমানদের মাঝে বিতরণ করেন।

কেবল তারা দুজনই নয়, আরও অনেক সৌদি শিশু রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে হজের সময় এ সেবামূলক কাজ করে থাকে। তারা হাজীদের মাঝে খাবার, ফল, পানি ও কোমল পানীয় বিতরণ করে থাকে।

সেবামূলক কাজে শিশুদের উৎসাহিত করতে অনেক মা-বাবা তাদের শিশুদের এসব কিছু সরবরাহ করেন অথবা টাকা দিয়ে থাকেন। এছাড়া সেবামূলক কাজে শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে অনেক সংস্থাও এ কাজে এগিয়ে আসে।

হজ করতে আসা জর্ডানের আবু গাইদা বলেন, 'অনেক শিশুকে মিনায় হাজীদের খাবার এবং জুস দিতে দেখে আমি অত্যন্ত খুশি। এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের পূর্ব পুরুষদের ভালো কাজগুলো অব্যাহত রাখবে।'

হজ করতে আসা ফিলিস্তিনের ইব্রাহিম বলেন, 'সৌদি আরবের শিশুদের এ সেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিস্ময়ের কিছু নেই। তারা সব সময় আল্লাহর মেহমানদের সম্মান দিয়ে থাকে।'

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ