মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

কাউকে কাফের ফতোয়া দেয়ার অধিকার শুধু আল্লাহ-রাসুলের - কাউন্সিল অব সৌদি স্কলারস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফারুক ফেরদৌস 

soudiএকজন মুসলমানকে খুব সহজেই কাফের মুরতাদ বলে দেয়ার প্রবণতা বাংলাদেশে খুব বেশি লক্ষ্য করা যায়। বেশিরভাগ সময়ই এর পেছনে যথাযথ কারণ বা দলিলও থাকে না। সৌদি আরবের শ্রেষ্ঠ আলেমদের নিয়ে গঠিত কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এই প্রবণতার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। তারা বলেছেন, নিজেকে কাফের হিসেবে ঘোষণা করেননি এমন কাউকে কাফের ঘোষণা করতে পারেন শুধু আল্লাহ বা তার রাসুল।

আরব নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাউকে কাফের ঘোষণা দেয়ার অধিকার সাধারণ মানুষের নেই। এটা আল্লাহ এবং তার রাসুলের অধিকার। মানুষকে কাফের ঘোষণা দেয়াকে গর্হিত কাজ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, এটা খুন খারাবির সম্ভাবনা তৈরি করে। এ কারণে সম্পদ বণ্টন করার অধিকার সৃষ্টি হয় এবং বিয়ে ভেঙ্গে যায়।

কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সরকার এবং শাসককে কাফের বলা আরও বিপদজনক। কারণ এর কারণে উগ্রপন্থার দিকে মানুষকে ঠেলে দেয়া হয়। সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।

সৌদি আলেমরা বলেছেন, অন্যকে কাফের আখ্যা দেয়ার এই প্রবণতা গোমরাহ এবং ইসলামে এর স্থান নেই।

এফএফ

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ