মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


পাক-ভারত যুদ্ধে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

pak-ind-borআওয়ার ইসলাম : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের মধ্যদিয়ে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা কিছুটা কমে গিয়েছিল। কিন্তু গতকাল পাকিস্তানের ভেতরে কথিত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’র কারণে দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে আবার উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সীমান্ত থেকে ভারত লোকজন সরিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বলেছেন, যেকোনো মূল্যে তারা দেশ রক্ষা করবেন।

এমন ধরনের সামরিক উত্তেজনার পরও বিশেষজ্ঞরা এ দুটি দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশংকা উড়িয়ে দিচ্ছেন। তবু বিশ্ববাসীর মনে রয়েছে নানা জল্পনা, নানা শংকা। যুদ্ধের আশংকা দেখা দিলেই খুব দ্রুত চলে আসে যুদ্ধে কার কী ক্ষতি হতে পারে তার হিসাব-নিকাশ। এ প্রেক্ষাপটে সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করেছে পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’। পার্সটুডের পাঠকদের জন্য আমরা ফিচারধর্মী প্রতিবেদনটি অনুবাদ আকারে তুলে ধরলাম।

অর্থনৈতিক ক্ষতি: যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে দু পক্ষই দু দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোকে টার্গেট করবে যাতে অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা যায় এবং অপরপক্ষ যেন যুদ্ধ টেনে নিতে না পারে। বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের মারাত্মক ক্ষতি হবে। এতে দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বি হবে। দু দেশের স্টক মার্কেটেও পড়বে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব। এর ফলে পাকিস্তান ও ভারতের স্টক মার্কেট থেকে বিদেশিরা তাদের পুঁজি প্রত্যাহার করে নেবে।

যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাবে। ফলে ভারত ও পাকিস্তানের জন্য ব্যবসা ও অর্থ সহায়তা মুখ থুবড়ে পড়বে। এক হিসাব মতে- যুদ্ধের জন্য ভারতকে প্রতিদিন ৫০ বিলিয়ন রুপি বা ৫,০০০ কোটি রুপি ব্যয় করতে হবে। এছাড়া, দেশটির বাজেট ঘাটতি বাড়বে শতকরা ৫০ ভাগ। যুদ্ধ চালিয়ে নিতে হলে পাকিস্তানকেও তার অপর্যাপ্ত সম্পদ থেকে নতুন করে বরাদ্দ দিতে হবে। এমনকি যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিপুল অংকের অর্থ লাগবে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষতি: পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হলে ভঙ্গুর সামাজিক অবকাঠামোর কারণে দু দেশেই উগ্রবাদ নতুন রূপে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ভারতে মুসলমানরা এবং পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুরা যুদ্ধ-উন্মাদনার কারণে হামলার শিকার হতে পারে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধà§