সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


শীতকে সামনে রেখে কেমন আছেন সিরিয়ার শরণার্থীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আহমাদ আস সুরানী
সিরীয় সাংবাদিক

খাদ্য, বাসস্থান, শীতবস্ত্র ও ওষুধের প্রচণ্ড অভাবে অত্যন্ত মানবেতর দিনযাপন করছে আলেপ্পোর উত্তারঞ্চলীয় গ্রামের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর বাসিন্দারা। বিশেষ করে ঠাণ্ডাজনিত রোগে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা আক্রান্ত হলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী শরণার্থীরা।

শীত যত আসছে তাদের জীবন ততই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, বৃষ্টিপাতের তীব্রতা ও তুষার থেকে আত্মরক্ষার কিছুই নেই তাদের কাছে।

সাত বছরব্যাপী গণবিধ্বংসী যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য বর্তমানে ৫০ লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে অন্যান্য দেশে শরণার্থী হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

সিরিয়া-তুর্কি সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত উত্তর আলেপ্পোর ইজাজ এলাকায় গড়ে উঠেছে এলোপাতারি অনেক ক্যাম্প। ক্যাম্পগুলির বেশ কয়েকটি ঘুরে দেখলাম। জীবন ধারণের অপররিহার্য খাদ্য-পোশাকের প্রচণ্ড অভাব। শীত ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার আগমনে সবার চেহারায় পরিলক্ষিত হচ্ছে ভীতির ছাপ। সত্যিই এক বিপর্যস্ত জনপদ।

এসব এলাকায় যেসব শরণার্থী আছেন তাঁদের চিকিৎসা, আইনগত সেবাসহ অন্যান্য সেবা দিতো বিভিন্ন এনজিও৷ এতদিন তারা বিদেশী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থার কাছ থেকে তহবিল পেতো৷ কিন্তু সেসব তহবিল ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেছে৷ তাই অনেক এনজিও ইতিমধ্যে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বা দেয়ার পরিকল্পনা করছে৷ ফলে শরণার্থীদের জীবন আরও কঠোর হয়ে উঠছে৷

এই এলাকায় সবচেয়ে বড় ও প্রসিদ্ধ ক্যাম্প হলো ‘শামারেখ আন নিজামী’ ক্যাম্প। এর পরিচালক মুহাম্মাদ দুরজ। তার সঙ্গে কথা হয় আমাদের। তিনি বলেন, আলেপ্পোর উত্তরাঞ্চলীয় ‘দারা আল ফুরাত’ এলাকায় ক্যাম্পের সংখ্যা আট হাজার।

এতে রয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার মানুষ। এই এলাকায় বিভিন্ন মানবিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কিছু ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর অবস্থা এলোপাতারি ক্যাম্পের তুলনায় ভালো। এখানে প্রতি মাসে খাদ্য রেশন আসে।

ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেবা, যেমন প্রশস্ত রাস্তা, স্বাস্থ্যগত প্রতিষ্ঠান, পানি নিস্কাষণের ব্যবস্থা ও ময়লা-আবর্জন সরিয়ে ফেলার সুব্যবসà§