মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

আবুধাবির মসজিদে দৈনিক ৩৫ হাজার রোজাদারের ইফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সংযুক্ত আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদে দৈনিক ৩৫ হাজার রোজাদারকে বিনামূল্যে ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।খবর খালিজ টাইমসের।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের নামে করা আধুনিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শনযুক্ত এ মসজিদটি স্থাপিত হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত বিশাল এই মসজিদে একসঙ্গে ৪২ হাজার মুসল্লির নামাজ পড়ার ব্যবস্থা আছে।

ইফতারের সময় শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগে থেকেই রোজাদারদের মসজিদে আগমন শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মসজিদ প্রাঙ্গণ। মসজিদের বাগানে স্থাপিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ১১টি বিশেষ তাঁবুতে সবাই ইফতার করার জন্য বসেন।

আবুধাবির সশস্ত্র বাহিনী কর্মকর্তা ক্লাব ও হোটেলের নির্বাহী শেফ কারস্টেন গটসচাক বলেন, ইফতারের এক ঘণ্টা আগে থেকে রোজাদারদের সামনে আমরা খাবারের বাক্স বিতরণ করি। প্রতিদিনই আমরা খাবারের মান উন্নত করছি।

পাশাপাশি বাক্সসহ রান্নাঘরের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করছি।

আবুধাবিতে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করা বাংলাদেশের ওমর আবদুল করিম বলেন, আমার কর্মস্থল শেখ জায়েদ মসজিদের কাছে। তাই রোজা এলে প্রায় প্রতিদিনই দেশের সবচেয়ে বড় এ ইফতার আয়োজনটিতে অংশ নিয়ে থাকি। খোলা আকাশে এখানকার খাবার অনেক ভালো লাগে। তাছাড়া খাবার দেয়ার প্রক্রিয়াও অনেক সুন্দর।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ