আওয়ার ইসলাম: যাদুটোনা হল শয়তান জিনদের সহায়তায় অর্জিত একপ্রকার অপকর্ম যার প্রভাবে মানুষের মাঝে রোগ, মানসিক বিকৃতি, স্বামী কিংবা স্ত্রীর প্রতি বিরূপ মনোভাব, ভুল দেখা বা শোনা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।
যাদুটোনা চর্চাকারীরা এগুলো অর্জনের জন্য শয়তান জিনদের সাহায্য চায় এবং তাদের ইবাদত করে এবং তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন শিরকী ও কুফরী কাজ করে, ফলে এই শয়তান জিনেরা তাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে তাদেরকে সহায়তা করে থাকে।
যাদুটোনার এই প্রভাব সত্য। যাদুটোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি-
১.যাদুকর কিভাবে যাদু করেছে সেটা আগে জানতে হবে। উদাহরণত, যদি জানা যায় যে, যাদুকর কিছু চুল নির্দিষ্ট কোন স্থানে অথবা চিরুনির মধ্যে অথবা অন্য কোন স্থানে রেখে দিয়েছে। যদি স্থানটি জানা যায়, তাহলে সে জিনিসটি পুড়িয়ে ফেলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে যাতে যাদুর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, যাদুকর যা করতে চেয়েছে সেটা বাতিল হয়ে যায়।
২. যদি যাদুকরকে শনাক্ত করা যায় তাহলে তাকে বাধ্য করতে হবে যেন সে যে যাদু করেছে সেটা নষ্ট করে ফেলে। তাকে বলা হবে, তুমি যে তদবির করেছ সেটা নষ্ট কর নতুবা তোমার গর্দান যাবে। সে যাদুর তদবিরটি ধ্বংস করে ফেলার পর মুসলিম শাসক তাকে হত্যা করার নির্দেশ দিবেন। কারণ বিশুদ্ধ মতানুযায়ী, যাদুকরকে তওবার আহ্বান জানানো ছাড়া হত্যা করা হবে।
যেমনটি করেছেন- উমর রা.। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন: “যাদুকরের শাস্তি হচ্ছে তরবারির আঘাতে তার গর্দান ফেলে দেয়া।” যখন হাফসা রা.জানতে পারলেন যে, তাঁর এক বাঁদি যাদু করে তখন তাকে হত্যা করা হয়।
৩. যাদু নষ্ট করার ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁকের বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এর পদ্ধতি হচ্ছে- যাদুতে আক্রান্ত রোগীর উপর অথবা কোন একটি পাত্রে আয়াতুল কুরসি অথবা সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস, সূরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো পড়বে।
এগুলোর সাথে সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়বে এবং রোগীর জন্য দোয়া করবে। বিশেষত যে দুয়াটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সাব্যস্ত হয়েছে- “আল্লাহুম্মা, রাব্বান নাস! আযহিবিল বা’স। ওয়াশফি, আনতাশ শাফি। লা শিফাআ ইল্লা শিফাউক। শিফাআন লা য়ুগাদিরু সাকামা।”
জিব্রাইল আ. নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে দà