সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


মক্তব ভিত্তিক কুরআন শিক্ষা কি বিলুপ্তির পথে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বশির ইবনে জাফর ।।

অন্ধকার বর্বর যুগ থেকে মানুষকে আলোর পথে ফিরিয়ে এনেছিলো যে ঐশী গ্রন্থ, অন্ধকারাচ্ছ্বন্ন দিক্বিদিক হারা মানুষকে আলোয় উদ্ভাসিত করে শান্তির বার্তা শুনিয়েছিলো যে গ্রন্থ, সে হলো পবিত্র আল কুরআন।

মানবতার মুক্তির দিশারী মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আ. এর কাছে হযরত জিবরাইল এর মাধ্যমে যে গ্রন্থটি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের দিয়েছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন শিখিয়েছেন হযরত জিবরাইলকে তারপর জিবরাইল শিখিয়েছেন রাসূল সা. কে। রাসূল আবার শিখিয়েছেন তাঁর সাহাবায়ে কেরামদের।

কুরআন শিক্ষার এ ধারা অব্যহত থেকে সেই সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্ব থেকেই মানুষ তার বুকে ধারণ করে এসেছে পবিত্র এ গ্রন্থের প্রতিটি বাণী। কুরআনের এই ধারাবাহিকতা তথা শিক্ষা করা এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়া সম্পর্কে হাদিসে এসেছে ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে কুরআন শিখে এবং অন্যকেও শেখায়।’

কুরআন শেখা এবং শেখানোর সেই পথ ও পদ্ধতি আজো অম্লান এ ধরার বুকে। পৃথিবীর সব মুসলিম দেশগুলোতেই মসজিদ ভিত্তিক কুরআন শিক্ষার আসর আজো চলমান। যার সূচনা স্বয়ং রাসূল সা. করে গিয়েছিলেন।

শতকরা নব্বই ভাগ মুসলমানের এ দেশ বাংলাদেশেও কুরআনের শিক্ষা আজো জীবন্ত ও প্রাণবন্ত যেমনটি রাসূল সা. এর যুগে ছিলো। একসময় সারা দেশের প্রতিটি মসজিদেই ফজরের নামাজের পরপর ছোটছোট সোনামণিদের ভিড় দেখা যেত। কায়দা, আমপারা কিংবা কুরআন বুকে যারা ছুটে আসতো মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছ থেকে কুরআন শিখবে বলে।

বর্তমানে যুগের আধুনিকায়নে যদিও সে চিত্র শহুরে এলাকায় খুব একটা দেখা মিলে না। কমে এসেছে গ্রামগঞ্জেও। শহুরে এলাকাগুলোতে ফজরের পরপরই বিভিন্ন স্কুল কিন্ডারগার্টেন এর কার্যক্রম শুরুর ফলে সোনামণিদের কুরআন শেখার সেই দলবদ্ধ প্রয়াস এখন খুব একটা দেখা যায় না। তার মানে কি কুরআন শিক্ষার সেই নববী কার্যক্রম আজ স্থিমিত হয়ে গিয়েছে? মসজিদের ইমাম সাহেবরা কি তবে এখন ছোট ছোট শিশুদের কুরআন শেখানোর সেই ধারাবাহিকতাকে অবসর জানিয়েছেন?

কিংবা শহুরে রাস্তাঘাটে দৃশ্যমান ‘কুরআন পড়াতে চাই’ এরকম দেয়াল লিখনগুলো কি তবে কুরআন শিক্ষার ধারাবাহিকতাকে বিলুপ্তির পথে ঠেলে দিয়েছে.? এ ধরনের নানা শঙ্কা ও নানা প্রশ্নের জবাব জানতে কথা বলেছিলাম সুদূর জামালপুর জেলার জামেউল উলুম হাক্কানিয়া মাদরাসার দীর্ঘ ২৭ বছর যাবৎ মুহতামিমের দায়িত্বপালন করে আসা প্রবীণ শায়খুল হাদিস মাওলানা জাফর আহমদ কাসেমীর সঙ্গেà¥