মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


আত্মশুদ্ধির মাস রমজান সমাগত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মনজুর সা’দ।। দেখতে দেখতে আবারও এসে গেলো আমাদের সেই কাঙ্খিত মাস মাহে রমজান। পবিত্র মাস। সংযমের মাস। সওয়াবের মাস। দোআ কবুলের মাস। মহিমান্বিত মাস। বিশ্বের সকল মুসলমানদের আত্মশুদ্ধির মাস। নিঃসন্দেহে এই মাসটি অন্য এগারো মাস থেকে শ্রেষ্ঠ। আরবি মাসসমূহের নবম মাস হচ্ছে, পবিত্র মাহে রমজান মাস।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। যুগে যুগে নবি রাসুলগণ রোজার বিধান পালন করেছেন।রোজা শব্দটি ফারসি। এর আরবি শব্দ হচ্ছে সওম, বহুবচনে বলা হয় সিয়াম। সওম অর্থ বিরত থাকা, পরিত্যাগ করা। পরিভাষায় সওম হলো,আল্লাহর সন্তুটি কামনায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়তসহকারে পানাহার থেকে বিরত থাকা।

রোজা ফরজ হয় দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি, যাতে তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো, পরহেজগার হতে পারো। এ আয়াত থেকে আমরা বুঝতে পারি, রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে তাকওয়া অর্জনের জন্য, গুনাহ বর্জন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে জান্নাতের উপযোগী হওয়া, নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জন্য।

রোজার প্রতি উৎসাহিত করতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানসহকারে ও সওয়াব লাভের আশায় রমজানের রোজা রাখে তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’সহীহ বুখারি।

রোজা রাখা আল্লাহর বিধান। আর আল্লাহর বিধানের লঙ্ঘন কবিরা গোনাহ। বিনা কারণে রোজা না রাখলে ওই রোজার কাজা ও কাফফার উভয়টি আদায় করার বিধান দিয়েছে ইসলাম। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিনা কারণে রোজা ভঙ্গকারীর জন্য শাস্তি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন।হাদিসে এসেছে হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, একদিন আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, একটি সম্প্রদায় উল্টোভাবে (পা উপরে আর মাথা নিচের দিকে) ঝুলছে। তাদের গাল কাঁটা। আর তা থেকে রক্ত ঝরছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম এরা কারা? (প্রশ্নের উত্তরে) বলা হলো- এরা সেসব ব্যক্তি যারা বিনা কারণে রমজান মাসের রোজা নষ্ট করেছে। (ইবনে খুযায়মাহ)

রোজাদারদের জন্য দু'টি খুশীর সংবাদ

হজরত আবু হুরাইরা রা. বর্ণনা করেন, রাসুলে পাক সা. ইরশাদ করেন, রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে, একটি তার ইফতারের সময়, অপরটি হলো আল্লাহ্ তাআলার দিদার বা সাক্ষাতের সময়। হাদিসে এও à