আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে ৩৪ টি রোহিঙ্গা শিবির রয়েছে। এখানে বসবাস করছে সাড়ে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গার বসতি। দীর্ঘদিন পর হলে ও জাতিসংঘ নোয়াখালীর ভাসানচরকে মেনে নিয়ে মানবিক সহায়তার সব দায়িত্ব নেয়ার তাদের এখন সেখানে বসবাসে কোনো অসুবিধা নেই।
ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের জন্য কাজ করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর চুক্তি সই হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সাধারণ রোহিঙ্গারা।
মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ২ /ইস্ট ও ক্যাম্প ১৭ তে স্থানীয় রোহিঙ্গা, মাঝি ও কমিউনিটি লিডার ফোকাল নেতৃত্বে আয়োজিত আনন্দ মিছিলে হাজারো সাধারণ রোহিঙ্গা অংশ নেন।
এ সময় বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে স্লোগান দেন তাঁরা। মিছিলে রোহিঙ্গাদের হাতে ছিল `স্বাগত জাতিসংঘ’, `ধন্যবাদ বাংলাদেশ’ লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডসহ ব্যানার, ফেস্টুন। মিছিল শেষে উচ্ছ্বসিত রোহিঙ্গারা নিজেদের মাঝে মিষ্টি বিতরণও করেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া ২/ইস্ট ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মোহাম্মদ আমিন (৩৬) বলেন, ‘ভাসানচরে জাতিসংঘ কাজ করবে শুনে আমরা আনন্দিত, আশা করছি এখন আগের তুলনায় অধিক রোহিঙ্গা ভাসানচরে যেতে আগ্রহী হবে।’
এ দিকে রোববার একইদিনে ভাসানচরে একসঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ-জাতিসংঘ স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে রোহিঙ্গাদের একটি যুব সংগঠন।
রোহিঙ্গা ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন নামে সংগঠনটির বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ কে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, শিক্ষা সহ বিভিন্ন অধিকার নিশ্চিত করার সুপারিশ জানানো হয়।
বিবৃতি প্রসঙ্গে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা কিন মং বলেন, ‘আমরা চুক্তিটিকে স্বাগত জানাচ্ছি, পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছি দ্বীপটিতে যেন রোহিঙ্গাদের সার্বিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ, জীবিকার সুযোগ, স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়।’
এ ছাড়াও বিবৃতিতে à