লাজ্জাস আল-হাবীব ও আব্দুর রহীম তাওসীফ
ইজতেমার মাঠ থেকে
হামদ ও সালাতের পর, প্রত্যেক আমলেরই শুরু এবং শেষ থাকে। যেমন নামাজ তাকবীরের দ্বারা শুরু এবং সালাম দ্বারা শেষ হয়। অনুরূপ হজ ইহরাম দ্বারা শুরু হয় এবং মাথা মুণ্ডানো দ্বারা শেষ হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল ব্যস্ততা থেকে ফারেগ করে জমায়েত করেছেন। এই জমায়েত হওয়ার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, সকলের জীবনে যেন দ্বীন আসে। দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতের সফলতা আল্লাহ তাআলা দ্বীনের মধ্যেই রেখেছেন। যদি কারো মধ্যে দ্বীন আসে, সে গরিব হোক অথবা ধনী, তার অন্তরে আল্লাহ তাআলা শান্তি দান করেন। সকল মানুষও তাকে ভালবাসে।
দুনিয়া পরিবর্তনশীল। যেমন কখনো সুস্থতা থাকে, আবার কখনো অসুস্থতা ও পেরেশানি আসে। এসব কিছুর সমাধান আল্লাহ তায়ালা একমাত্র দ্বীনের মধ্যেই রেখেছেন। আর সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো আফিয়াত ( সুস্থতা)। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আল্লাহর কাছে আফিয়াত চাও এবং দ্বীনের উপর অটল থাকার জন্য কামনা করো।
যার জীবনে পূর্ণ দ্বীন আসবে, যে পূর্ণ দ্বীনের ছায়াতলে আসতে পারবে তার কাছে জীবন মৃত্যু উভয়টা সমান।
যে ব্যক্তি পুলসিরাত পার হয়ে জান্নাতে যেতে পারবে, সে-ই প্রকৃত সফল । আর দুনিয়াটা হলো পুরোটাই ধোঁকা। জান্নাতে মানুষ সর্বদা যুবক অবস্থায় থাকবে । সেখানে সকলের মনের আশা পূরণ হবে । আল্লাহ তাআলা তাদের উপর রাজি ও সন্তুষ্ট থাকবেন আর জান্নাতীরাও আল্লাহ তায়ালার উপর রাজি থাকবে।
মানুষের মধ্যে পরিপূর্ণ দ্বীন কিভাবে আসবে? মানুষের মধ্যে পরিপূর্ণ দ্বীন আসবে, যখন তার মধ্যে দ্বীন অর্জন করার মত শক্তি হাসিল হবে। এখানে পরিপূর্ণ দ্বীনের অর্থ হলো, আল্লাহ তাআলা কিছু কাজ করতে নিষেধ করেছেন আর কিছু কাজ করতে আদেশ করেছেন। উভয় কাজ তার সঠিক পদ্ধতি অনুযায়ী মেনে চলা। এটাই পরিপূর্ণ দ্বীন।
আমরা এখানে যে দাওয়াতের নিয়তে এসেছি এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ দ্বীনের উপর চলার শক্তি হাসিল হবে। এই শক্তি অর্জনের জন্যই এই মেহনত।
নবীদের আগমনের দরজা বন্ধ। কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত মানুষ আসবে। কেয়ামত পর্যন্ত আগত মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্যই শয়তান আল্লাহ তাআলার কাছে কিয়ামত পর্যন্ত হায়াত চেয়ে নিয়েছিলো। সুতরাং শয়তান তার কাজ করে যাবে। আর এখন যেহেতু নà