শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময় গণভোটের রায় পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে: খেলাফত মজলিস

চুইংগামের নামে খাচ্ছি প্লাস্টিকের কণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

চুইংগাম পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বিশেষ করে শিশু এবং তরুণদের কাছে চুইংগাম দারুণ এক পছন্দের খাবার। কিন্তু আমরা কি জানি মজা করে খেলেও চুইংগামের নামে কী খাচ্ছি আমরা? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এক চুইংগামেই তিন হাজার মাইক্রো প্লাস্টিক ঢুকছে আমাদের পেটে। এই তথ্যই উঠে এসেছে গবেষণায়। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের পরিচালিত গবেষণায় তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের টুকরাগুলো প্রবেশ করে মানবদেহে।

চুইংগাম সাধারণত দুই ধরনের হয়। প্রাকৃতিক ও সিনথেটিক। দোকানে যেসব চুইংগাম বিক্রি হয় এর বেশির ভাগই সিনথেটিক। যা তৈরি হয় পেট্রোলিয়াম ভিত্তিক পলিমার দিয়ে। শুধু সিনথেটিক চুইংগাম নয় প্রাকৃতিক চুইংগামেও মাইক্রো প্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখে গবেষকরা রীতিমতো চমকে উঠেছেন। দেখা গেছে একটি চুইংগাম চিবানোর প্রথম আট মিনিটের মধ্যেই বেরিয়ে যায় বেশিরভাগ মাইক্রো প্লাস্টিক। গবেষণায় উঠে এসেছে চুইংগাম প্রিয় একজন ব্যক্তি ১ বছরে ১৮০টি চুইংগাম চিবিয়ে গ্রহণ করতে পারে ৩০,००० মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা। আমেরিকার কেমিক্যাল সোসাইটির আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, চুইংগামে মূলত পলিইথিলিন ও পলিস্টাইরিনের মতো প্লাস্টিকের কনিকা থাকে! এই পলিইথিলিন পলিথিন ব্যাগ, পানির বোতল, ওয়ানটাইম কাপ ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

সবচে ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, প্লাস্টিকের এই কণাগুলো আমাদের শরীর হজম করতে পারে না। নিয়মিত চুইংগাম খাওয়ার ফলে কণাগুলো জমে আমাদের দেহে এবং তা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এবং সেটাও খুব সুখকর কোনো বিষয় নয়। মাইক্রোপ্লাস্টিক দিনের পর দিন শরীরে ঢুকে রক্তে মিশতে থাকলে সেটা সৃষ্টি করতে পারে বিভিন্ন জটিল রোগ। ডায়াবেটিসের কারণও হতে পারে এই প্লাস্টিকের কণা। কারণ, এই কণা ইনসুলিনের ক্ষরণে প্রভাব ফেলে। এছাড়া প্লাস্টিকের কণা বদলে দিতে পারে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যও। কমিয়ে দিতে পারে পুরুষের শুক্রানুর পরিমাণ। হতে পারে স্নায়ুবিক রোগের কারণও।

তাই ভালোবেসে সন্তানের হাতে কী তুলে দিচ্ছেন একবারতো ভেবে দেখুন!]

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ