মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

কারওয়ান বাজারে চাঁদা বন্ধের দাবিতে ডাকা মানববন্ধনে হামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজার সংলগ্ন কাঁচামালের আড়ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মানববন্ধন চলাকালে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। পরে ব্যবসায়ীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলাকারীদের তাড়া করেছেন। এ ঘটনায় দুর্বৃত্তদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা ‘চাঁদাবাজের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘চাঁদাবাজের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ‘আত্মস্বীকৃত চাঁদাবাজ’ ও বহিষ্কৃত সাবেক তেজগাঁও থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও তার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজি করছে। কারওয়ান বাজারে চাঁদা আদায় বন্ধ করতে এবং আব্দুর রহমানের গ্রেপ্তারের দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলেন।

তাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মানবন্ধনে আব্দুর রহমানের অনুসারীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন।

কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাঁদাবাজ আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা না হলে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বন্ধ করে রাজপথে আন্দোলনে নেমে আসবেন।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আজ পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের পক্ষে কাজ করেছে। তারা প্রতি মাসে মাসোহারা পায় বলেই এমন হামলার পরও তারা চুপ থাকে।

এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। এজাহার দিলে এ বিষয়ে মামলা হবে। এখানে কোনোভাবেই বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ