শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
শরয়ি হালালা বনাম হালালা সেন্টার: আমাদের নৈতিক পরাজয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাখাতে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব সপ্তাহের শেষেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দাবি ট্রাম্পের ইরানের খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের খেলাফত আন্দোলন ঘুরে ফের ইসলামী আন্দোলনে নান্নু মুন্সী গাইবান্ধার সেই মূর্তি স্থাপনের কাজ বন্ধ ঘোষণা চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর ‘মহা বিপর্যয়’, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অত্যন্ত কঠিন ও প্রাণঘাতী হামলা’ হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম। তারা একে "নতুন বিপর্যয়" বলে আখ্যায়িত করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব গাজায় সংঘটিত এই নিরাপত্তা ঘটনার ফলে ইসরায়েলি বাহিনীর বহু সদস্য হতাহত হয়েছে। হামলার প্রকৃত পরিসংখ্যান এখনো স্পষ্ট নয়, তবে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের দ্রুত হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এ ধরনের "বিপর্যয়" শব্দের ব্যবহার সাধারণত তখনই করা হয়, যখন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং তা জাতীয় পর্যায়ে শোকের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, যেসব সেনা গুরুতর আহত, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্ধার করা হচ্ছে। নিহত সেনারা সাধারণত পরে ময়দানে থেকেই উদ্ধার করা হয় সংঘর্ষ শেষ হওয়ার পর। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রথম ধাক্কায় সেনাদের ওপর বিস্ফোরক হামলা চালানো হয়েছে এবং এরপরেই উদ্ধারকারী বাহিনীর ওপরও সশস্ত্র হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে—যা অতীতে খান ইউনুস বা বেইত হানুন এলাকায় ঘটে যাওয়া কম্বিনড হামলার সঙ্গে তুলনীয়।

এই ঘটনার ফলে গাজার পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মারাত্মক চাপে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ