শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময়

নবুওয়াতের পূর্বে নবীজি সা. -এর চরিত্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মুফতি আরিফুল ইসলাম

এখনো হুজুর সা.-কে নবুওয়াতের মুকুট পরিধান করানো হয়নি। সকলের মুখে হুজুরের উত্তম চরিত্রের প্রশংসা। সবার হৃদয়ের মনিকোঠায় নবীজির স্থান । কেউ তাকে নাম ধরে ডাকে না । বলে আল আমীন। কেউ বলে সাদিক।সে সময়ের মূর্তিপূজার কোনো ছোয়াও নবীজির গায়ে লাগেনি।অথচ তখন মূর্তিপূজার কেন্দ্রবেন্দ্র ছিল মক্কা। খোদ মক্কায়ই ছিল ৩৬০ মূর্তি। পূজা-অর্চনা শেষে একবার হুজুরকে দেবতার নামে উৎসর্গকৃত খাবার পেশ করা হয়। হুজুর সা. তা খেতে অশ্বিকার করেন।

বিবস্ত্র হয়ে তওয়াফ করা ছিল তাদের ইবাদতের উত্তম প্রথা। নবীজি কখনো এই প্রথায় গা ভাসিয়ে দেননি। আরবের প্রচলন ছিল দীন শেষে সন্ধ্যায় গল্পের আড্ডা জমে ওঠত।নৃত্য, গান-বাজনা হত সে আড্ডায়। একবার হুজুর সা. শৈশবের তাড়নায় ওই আড্ডায় যেতে চান। পথে বিয়ের একটি বৈধ অনুষ্ঠানে থেমে যান। ঘুম চেপে বসে । এভাবে  ভোর হয়ে যায়। আর যাওয়া হয় নাই ওই আড্ডায়।

মদ পান করা তো ছিল তখন সাধারণ ব্যাপার। কখনো এক ডোক মদও পান করেননি প্রিয় নবী সা। অনর্থক কথা ও কাজ হুজুর সা. থেকে প্রকাশ পায়নি।

সত্যিই পাপ-পঙ্কিলতায় ভরপুর সমাজ থেকে নিজেকে পবিত্র রাখা ছিল বিস্ময়কর। কারণ তিনি তো পড়া লেখা জানতেন না। ছিলেন উম্মি। এসবই ছিল নবুওয়াতের আচল পবিত্র রাখার আল্লাহর কুদরতের বহিঃপ্রকাশ।-নবী আরাবী সা.উর্দ্দূ।

লেখক :  ইমাম ও খতীব

এম আই/

 

 

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ