সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

উত্তর প্রদেশে বন্ধ ১০ মাদরাসা, তাড়িয়ে দেওয়া হলো শিক্ষার্থীদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসের পর মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত আছে। দেশটির উত্তর প্রদেশে নেপাল সীমান্তসংলগ্ন শ্রাবস্তী জেলায় অবস্থিত ১০টি মাদরাসাকে অবৈধ ঘোষণা করে বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

শ্রাবস্তী জেলায় মোট ২৯৭টি মাদরাসা রয়েছে, যার মধ্যে ১৯২টি মাদরাসা অবৈধ বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

এই পদক্ষেপে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বহু মাদরাসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন, কারণ এসব প্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষা নয়, অনেকের জীবিকা নির্বাহেরও উৎস।

এসডিএম ১২টি মাদরাসায় অভিযান চালান, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। এই অভিযান পরিচালনা করেন ডিএম অজয় কুমার। অভিযানের পর প্রশাসনের দাবি, ১০টি মাদরাসা যথাযথ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য মাদরাসা ছিল জামিয়া আবু বকর আনোয়ারুল কোরআন, যেখানে ২০০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ায় এখন শিক্ষার্থীদের পাশের সরকারি স্কুলে পাঠানো হচ্ছে। একইভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত শ্রীনগরের মজরা রামপুরা ও ভেরান্দা এলাকাতেও কিছু মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশ সরকার এর আগেও একাধিকবার মাদরাসা ও মসজিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে, যেগুলোকে ‘অবৈধ দখল’, ‘সড়ক সম্প্রসারণ’, কিংবা অন্যান্য অজুহাতে ধ্বংস করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েছে।

এদিকে, ওয়াকফ বিল মুসলিমদের জন্য কতটা উপকারী তা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিস থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান আরও চলবে এবং অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সূত্র: মুসলিম মিরর

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ