|| মুহাম্মদ নূর হোসাইন ||
আর ক’দিন পরেই পবিত্র কুরবানির ঈদ। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর এ ঈদে কুরবানি ওয়াজিব হয়, যার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে গরু, ছাগল, উট, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি পশু কুরবানি করা হয়ে থাকে। এ সকল পশুর চামড়া থেকে দেশে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। বর্তমানে দেশের রপ্তানি খাতের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থান দখল করে আছে চামড়া শিল্প, যা পোশাক শিল্পের পরেই অবস্থান করছে।
তবে দুঃখজনকভাবে এই সম্ভাবনাময় শিল্প এখন ধ্বংসের মুখে। ২০১৩ সালে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ৮৫-৯০ টাকা, যা ২০২০ সালে নেমে আসে ৩৫-৪০ টাকায়। ২০২১ সালে সরকার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৪০-৪৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সেই দামেও চামড়া বিক্রি হয়নি। ২০২৩ সালেও একই ধারা অব্যাহত ছিল, যখন চামড়ার মূল্য আরও কমে যায়। ২০২৪ সালে সরকার নির্ধারিত দাম ঘোষণা করলেও বাস্তব বাজারে সেই দামের প্রতিফলন দেখা যায়নি।