সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ১২ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৬ সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার'

তেল আবিব ও হাইফাকে বধ্যভূমি বানানোয় তেহরানের সাফল্য কামনা করি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ।।

যার ক্ষত তার ব্যথা। তেহরান নিশ্চয়ই জানে তারা কী করছে, কেন করছে। তবে হিংস্রাবিলের (ইসরায়েল) বুকের মধ্যেও বেশ দূর থেকে আঘাত করার যেটুকু সামর্থ্য তারা দেখিয়েছে এটা অনেক। হিংস্রাবিলের এইটুকু ক্ষতি ও আতঙ্কের জন্যও তাদের ধন্যবাদ পাওনা।

তবু গত ৪০ বছরের যুদ্ধ-রাজনীতি দেখে মনে হয়েছে, বড় সন্ত্রাসী সরাসরি সক্রিয় হয়ে উঠলে তেহরানের হাতে সময় থাকবে না। নিজে তো ভেঙে পড়বেই, হিংস্রাবিলের দরকারি ক্ষতিগুলোও করতে পারবে না। হয়তো তার হাতে অপশন নেই, কিন্তু নিজেকেও রক্ষা করা আর হিংস্রাবিলকে কম আঘাত করা-এ দুটি কুল রক্ষা করা সম্ভব না; একটা বেছে নিতে হবে। পুরোপুরি আত্মসমর্পণ অথবা হিংস্রাবিলের যত ক্ষতি করা যায়।

দ্বিতীয় অপশনটা অনেক সম্ভাবনাময়। সুযোগ সামর্থ্য থাকলে দ্বিতীয়টা যত দ্রুত সম্ভব যত বেশি সম্ভব করা উচিত। ওইটা করতে পারলে নিজেকে রক্ষা করার মতো অনেক আনুকূল্য চলে আসবে। বড় সন্ত্রাসীও আলাপে বসতে চাবে আর চীন-রাশিয়ার মতো ছায়া বন্ধুরাও তেহরানের পক্ষে আরো সক্রিয় হবে। বাঁচতে হলে আঘাত করেই বাঁচতে হবে। কম আঘাত করে কিংবা রয়ে সয়ে আলাপ সালাপ করে বাঁচার সুযোগ নাই। হাতেও সময় কম। শয়তানরা সময় দেবে না।

ভালো একটা দিক হলো, হিংস্রাবিলের সাথে তেহরানের হচ্ছে এবং হিংস্রাবিল তার ধারণার বাইরে আঘাত পাচ্ছে। সামর্থ্য ও বৈশ্বিক আনুকূল্যে সমানে সমান না হলেও মানসিক দমের দিক থেকে দুপক্ষই শেয়ানে শেয়ান। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোনো দেশের সঙ্গে লেগে গেলে এমনটা হতো না। তাই এ সংঘাত থামুক কিংবা আরো কিছুদিন চলুক, যদি হিংস্রাবিলের ক্ষতি হতে থাকে, তাহলে সেটাই হবে বড় পাওয়া। তেহরানসহ বিভিন্ন দেশের নানামাত্রিক ক্ষতিতো হবেই, সে দুঃখ আশঙ্কা তো আছেই; তারপরও হিংস্রাবিলের ক্ষতিটা অনেক বড় ব্যাপার। ওরা দুনিয়ায় অপ্রতিরোধ্য ও রহস্যময় হয়ে উঠছিল। ফিলিস্তিনি ও গাজাবাসীদের রক্ত ও জীবনের ওপর দিয়ে হিংস্রাবিলের নাগরিকেরা মাখনের মতো দুধেল একটা নিরাপদ মৌজ ফুর্তির জীবন কাটাচ্ছিল। এটায় এখন টান ধরেছে।

তেহরান-ঠেলাবিব কথা না, আসল কথা হলো, হিংস্রাবিলের প্রতিটি প্রাণীর চোখেমুখে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের চিহ্ন তৈরি হওয়াটা সুস্থ পৃথিবীর জন্য অত্যন্ত দরকারি জিনিস। যুদ্ধ আরো তিন দিন চলুক কিংবা ৩০ দিন, হিংস্রাবিলের ক্ষত ও বিপর্যয়টাই কাম্য। তেল আবিব আর হাইফাকে বধ্যভূমি বানানোর জন্য তেহরানের সাফল্য কামনা করি।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ