শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

পলাতক শক্তির উস্কানি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে হবে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ ||

বর্তমান দেশের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা শুধু বাহিনীর দায়িত্ব নয়, বরং এটা গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রের একটি সমন্বিত দায়িত্ব। বিশেষ করে যখন রাষ্ট্রবিরোধী কোনো পলাতক শক্তি উস্কানি দেওয়ার মতো সাহস দেখায়, তখন সেই সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা কঠোরভাবে রুখে দেওয়া আবশ্যক। কারণ এক জেলার ঘটনা, যদি যথাযথভাবে মোকাবিলা না করা হয়, তা হলে তা পরিণত হতে পারে বহুজেলা ও বহুমাত্রিক চাঙ্গাভাবের অনুঘটকে।

আমাদের মনে রাখতে হবে—প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, ঘটনার পরের পদক্ষেপের চেয়ে সবসময় কার্যকর। একটি উত্তপ্ত দিনের আগেই যদি সংশ্লিষ্ট নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪০-৫০ জন সক্রিয় ও উস্কানিমূলক ভূমিকা রাখা ব্যক্তিকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আটক করা যায়, তাহলে রাস্তায় নামার মতো ভীড় গঠনের আগেই তা ভেঙে যায়। রাস্তায় একবার শত শত মানুষ নেমে গেলে তখন কেবল লাঠি, গ্যাস বা জলকামান দিয়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এছাড়াও মিডিয়ার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় দেখা যায়, একটি সীমিত সংঘাতকে ভুল ব্যাখ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপস্থাপন করে পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করা হয়। ফলে মাঠে নামা বাহিনীগুলোর কৌশল ও সাহস—উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই রকম পরিস্থিতি যেন ‘বুমেরাং’ না হয়ে দাঁড়ায়, সেজন্য সরকার ও নীতিনির্ধারকদের আগেভাগে সচেতন হতে হবে।

সবচেয়ে জরুরি হলো—আজকের যেকোনো সহিংস ঘটনার শক্ত ও সুপরিকল্পিত ফলোআপ। এটি দুষ্টু ও উগ্র চিন্তার লোকদের জন্য একটি বার্তা হবে: রাষ্ট্র এখনো সজাগ। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদ-উত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতায় যেসব ইতিবাচক শক্তি আছে, তাদের ভেতরে কমপক্ষে একটি ন্যূনতম বোঝাপড়া গড়ে উঠতে হবে। তা না হলে এই জাতীয় সুযোগে দমন-পীড়নের নতুন যুক্তি তৈরি হতে পারে।

রাষ্ট্রের এই রূপান্তর-সংকটময় সময়ে, আইনি, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিরোধ—তিনটি স্তরেই সংহত উদ্যোগ প্রয়োজন।

লেখক: , আলেম লেখক, সাংবাদিক ও গবেষক

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ