মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মহামহিম আল্লাহর রহমত যানজট-দুর্ঘটনা রোধে বিশ্বরোডে অটোরিকশা বন্ধের দাবি রফিকুল ইসলাম মাদানীর ‘২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন চারটি বই’ জন্ম-মৃত্যু সনদে ভুল তথ্য, নাগরিক ভোগান্তির প্রতিবাদ ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবরি মসজিদ করতে চাওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গ্রেপ্তার ভাইরাল ট্রেন্ড: এক ক্লিকেই বানিয়ে ফেলুন আপনার ‘বাংলাদেশ ভ্রমণ ম্যাপ’ সাহারানপুরের মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত আজানে পুলিশি হস্তক্ষেপ নয়: হাইকোর্ট শিশুরা ঠিকভাবে বিকশিত হলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জন্ম-মৃত্যু সনদে ভুল তথ্য, নাগরিক ভোগান্তির প্রতিবাদ ইসলামী যুব আন্দোলনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জন্ম ও মৃত্যু সনদে নাগরিকদের নাম ও অন্যান্য তথ্যের জায়গায় ‘লক্জ্ক্’, ‘ক্‌জ্‌ক্‌ল্‌জ্‌’, ‘দতককা’, ‘LJKLJF’-এর মতো অর্থহীন ও অদ্ভুত শব্দ যুক্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এসব ভুল সংশোধন করতে গিয়ে নাগরিকদের হয়রানি বন্ধ, দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি ভুলে সৃষ্ট ত্রুটি বিনামূল্যে সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী মানসুর আহমদ সাকী এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জন্ম ও মৃত্যু সনদ একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নথি। শিক্ষা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, চাকরি, ব্যাংকিংসহ নাগরিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজন হয়। সরকারি ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে কোনো নাগরিকের নাম ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য বিকৃত হয়ে যাওয়া এবং সেই ভুল সংশোধনের জন্য তাকে দিনের পর দিন দপ্তরে ঘুরতে হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, ‘নাগরিক যে ভুল করেনি, সেই ভুলের দায় কেন নাগরিক বহন করবে? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ভুলের মাশুল জনগণকে দিতে হবে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

মুফতী মানসুর আহমদ সাকী বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশে ৫৩ লাখ ২৪ হাজারের বেশি জন্মনিবন্ধন হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ৩৫ লাখ জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা হয়েছে। গত বছর জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধনের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭৯ লাখ ১৭ হাজার। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে নাম ও ঠিকানা সংশোধনের সরকারি ফি বাবদ নাগরিকদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা আদায় হয়েছে।

তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক সংশোধনের বিষয়টি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থার কার্যকারিতা, তথ্য যাচাই এবং নাগরিক সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে সরকারি ব্যবস্থার ভুলের কারণে যেসব নাগরিকের সনদে ভুল বা অদ্ভুত তথ্য যুক্ত হয়েছে, তাদের কাছ থেকে সংশোধনের জন্য ফি নেওয়া কিংবা হয়রানি করা যুক্তিসংগত নয়।

ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, কীভাবে এ ধরনের অর্থহীন ও অদ্ভুত শব্দ নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নথিতে যুক্ত হলো, তা তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে। সরকারি ভুলে সনদে সৃষ্ট ত্রুটি দ্রুত ও বিনামূল্যে সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভুক্তভোগী নাগরিকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

একই সঙ্গে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থায় তথ্য যাচাই, কারিগরি তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ