সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

অনুমতি ছাড়া করা যাবে না দ্বিতীয় বিয়ে!


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

পূর্বানুমতি ছাড়া ভারতের আসাম সরকারের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এখন থেকে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) এ বিষয়ে একটি আদেশ জারি করেছে আসাম সরকার। এ আদেশ জারি করেছেন রাজ্য সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং সিনিয়র আইএএস অফিসার নীরজ ভার্মা।

আদেশে বলা হয়, কোনো কর্মচারী সরকার প্রণীত এই বিধি অমান্য করে পুনরায় বিয়ে করলে তাকে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তকে বিভাগীয় তদন্তের মুখোমুখিও হতে হবে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে দোষী কর্মচারীর ক্ষেত্রে অবসরের নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারী, যার স্ত্রী জীবিত আছেন, তিনি সরকারের অনুমতি ছাড়া পুনরায় বিয়ে করতে পারবেন না। কোনো নারী কর্মী এমন কাউকে বিয়ে করবেন না, যার অপর একজন স্ত্রী রয়েছে ও যিনি দ্বিতীয় বিয়ে করার ক্ষেত্রে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নেননি।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বাল্যবিবাহের বিপক্ষে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। পাশাপাশি বহুবিবাহ প্রতিরোধেও নানান ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।

এদিকে এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে আসাম বিধানসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা দেবব্রত সাইকিয়ার দাবি, বিয়ের আইনগত বিধান সবার জন্য। এ নিয়ম শুধু সরকারি কর্মচারীদের জন্য হতে পারে না। যদি হিন্দুদের মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ হয়, তবে এর অর্থ এটি সমস্ত হিন্দুদের জন্য। একইসঙ্গে উপজাতিদের মধ্যে বিয়ের জন্য প্রচলিত আইন থাকলে, তা অনুসরণ করা হবে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার যদি এমন পদক্ষেপ নেয়, তাহলে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ