সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ

মুফতী আহমাদুল্লাহর ইন্তেকালে জাতীয় ইমাম পরিষদের সভাপতির শোক প্রকাশ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের প্রখ্যাত আলেম, জামি'আ ইসলামিয়া পটিয়ার শায়খুল হাদীস ও সদরে মুহতামিম হাফেজ মুফতী আহমাদুল্লাহ (রহ.) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তিনি রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ইন্তেকালের সংবাদে দেশের ইসলামি শিক্ষা ও দাওয়াতি অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মুফতী আহমাদুল্লাহ (রহ.)-এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশ-এর সভাপতি মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া। গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় তিনি বলেন, “মুফতী আহমাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন এ দেশের ইলমি অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি আজীবন দ্বীন প্রচারের খেদমতে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর বিনয়, পাণ্ডিত্য ও সৌজন্যবোধ তাঁকে আলেম সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে করে তুলেছিল শ্রদ্ধার পাত্র।”

তিনি আরও বলেন, “দেশবাসী এক নিবেদিতপ্রাণ মুত্তাকী আলেমকে হারাল। তাঁর ইন্তেকালে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হবার নয়। আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আল্লাহ তা’আলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর পরিবার, ছাত্র ও মুরীদদের সবরে জামিল দান করুন।”

উল্লেখ্য, মুফতী আহমাদুল্লাহ (রহ.) দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম জামি'আ ইসলামিয়া পটিয়ায় শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর ইলমি ও আধ্যাত্মিক অবদান জাতির জন্য এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে চিরস্মরণীয় থাকবে।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ