সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে শেখ হাসিনার চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ৩১ মার্চ মাহমুদ আব্বাসকে এ চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন গণহত্যা চলাকালীন শিশু, নারী এবং পুরুষসহ নিরপরাধ প্রাণের মর্মান্তিক ক্ষতির জন্য আমি ফিলিস্তিনের সরকার এবং ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাতে এ সুযোগটি ব্যবহার করছি।

আমি গত ১৯ মার্চ আপনার দূত এবং ফাতাহ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে আমাকে সম্বোধন করা চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করছি। আমি গাজার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ‘ডে আফটার’ যুদ্ধোত্তর পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত এবং এটি নিয়ে আপনার গভীর উদ্বেগকে সমর্থন করছি।

পরিকল্পনাটি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের অবমাননা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তির লঙ্ঘন। এটি হতাশাজনক যে পরিকল্পনাটি এ দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কোনও বাস্তব পথ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং এর  লক্ষ্য হচ্ছে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বৈধ জাতীয় আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা এবং ভূমির ওপর ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী করা।

এ প্রেক্ষাপটে, আমরা আমাদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমরা গাজার কোনও অংশ পুনর্দখল করার জন্য ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে।  

চিঠিতে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আরও মনে করি সামরিক উপায়ে এ সংঘাত কোনও সমাধান নয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন এবং ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসের আদেশের ওপর ভিত্তি করে, চলমান সংকট সমাধানের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের সময় এসেছে, যেটি শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের পাশাপাশি বসবাসকারী দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।

দখলদারিত্ব এবং গণহত্যার শিকার একটি জাতি হিসেবে আমরা প্রকৃতপক্ষে দখলকৃত ও নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা অনুভব করি। এভাবে, আমরা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে আমাদের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি, ইসরায়েলি দখলদারিত্বের নিন্দা করছি এবং আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধানের পক্ষে কথা বলছি।

মুসলিম ভাই হিসেবে আমরা পূর্ব জেরুজালেমের রাজধানী হিসেবে ১৯৬৭ সালের সীমানাসহ স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য আপনার বৈধ আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমাদের সমর্থন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অবিচল থাকব। এ প্রেক্ষাপটে, আমরা সমস্ত আন্তর্জাতিক ফোরামে এবং এর বাইরেও আমাদের সমর্থনের মাধ্যমে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আপনার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।

আমি একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির জন্য আমাদের আহ্বানকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করছি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ