শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
জান্নাতের নেয়ামতের অপূর্ব বর্ণনা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিকের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কওমি মাদরাসার মানোন্নয়ন ও অপপ্রচার মোকাবিলায় ঢাকায় মুহতামিম সম্মেলন সোমবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ: মসজিদে হারামের খতিব রশীদ আহমদ ফেরদৌসের স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: লতিফ ‌‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের’ সেনাপ্রধানদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত ‘নিউইয়র্ক সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ প্রধানমন্ত্রীর ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত’ দেশি পেয়ারা: দামে কম, পুষ্টিতে সেরা

উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ: মসজিদে হারামের খতিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মসজিদুল হারামের এ সপ্তাহের জুমার খুতবায় উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা উচ্চতর লক্ষ্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষাকে ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরেছেন কাবার ইমাম ও খতিব শায়খ ড. ইয়াসির আদ-দোসরি। তিনি বলেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষা শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির কোনো অতিরিক্ত গুণ নয়; বরং একজন মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) খুতবায় শায়খ ইয়াসির আদ-দোসরি পবিত্র কুরআনের আয়াত ‘ফাস্তাবিকুল খাইরাত’—‘তোমরা কল্যাণকর কাজে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করো’—উদ্ধৃত করেন। তিনি এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সা.-এর একটি হাদিসও উল্লেখ করেন। হাদিসে আল্লাহর কাছে দোয়া করার সময় জান্নাতুল ফেরদাউস চাওয়ার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে—যা জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদার স্থান।

তিনি বলেন, মানুষের লক্ষ্য যেন ছোট ও সীমিত না হয়; বরং কল্যাণ ও উৎকর্ষ অর্জনের জন্য তার চেষ্টা অব্যাহত থাকা উচিত।

খুতবায় ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)-এর একটি বক্তব্য তুলে ধরে শায়খ ইয়াসির বলেন, প্রকৃত উচ্চাকাঙ্ক্ষা হলো—মানুষ যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুর কাছে নিজের আকাঙ্ক্ষাকে থামিয়ে না দেয়। আর নীচু আকাঙ্ক্ষার অন্যতম লক্ষণ হলো সামান্য অর্জনেই সন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া।

শায়খ ইয়াসির আদ-দোসরি আরও বলেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষার অর্থ দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়। বরং দ্বীন ও দুনিয়া—উভয় ক্ষেত্রেই উৎকর্ষ অর্জনের চেষ্টা করা এর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে তিনি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর কথাও উল্লেখ করেন।

জুমার খুতবার দ্বিতীয় অংশে তিনি দেশ ও মাতৃভূমির প্রতি দায়িত্ববোধের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য বিশেষ দোয়া করেন। একই সঙ্গে মসজিদুল আকসার নিরাপত্তা ও সংরক্ষণের জন্যও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

খুতবায় তিনি মুসলমানদের জীবনে উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণ, কল্যাণকর কাজে অগ্রসর হওয়া এবং দ্বীন ও দুনিয়ার ক্ষেত্রে সাধ্যানুযায়ী উৎকর্ষ অর্জনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

সূত্র: দ্য গেইট টু হারামাইন

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ