সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

মুসলিম সমাজের দুর্ভাগ্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ রাহমানী

ইসলামের আগমনের পূর্বে বিভিন্ন জাতি ও সমাজে নারীদের কোনো উত্তরাধিকার (সম্পত্তিতে অধিকার) ছিল না। তাদের বিশ্বাস ছিল, যেসব মানুষ শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারে এবং জাতির রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে, কেবল তাদেরই সম্পত্তিতে অংশ পাওয়ার অধিকার ছিল। অর্থাৎ, শারীরিক শক্তি এবং যুদ্ধের ক্ষমতাকে জাতির মর্যাদা ও ক্ষমতার মূল উৎস হিসেবে ধরা হতো। তখনকার সময়ের প্রেক্ষাপটে এটি কিছুটা সত্যও ছিল।

কিন্তু বর্তমান যুগ পরিবর্তিত হয়েছে। এখন জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় যুদ্ধক্ষেত্রের তলোয়ারের ঝংকারে নয়, বরং শিক্ষা, গবেষণা এবং বিদ্যাপীঠের আলোয়। কোনো জাতি যদি জ্ঞান ও বিজ্ঞানের দিক থেকে পিছিয়ে থাকে, তাহলে জনসংখ্যা বেশি হলেও তাদের অবস্থান হয় ধূলিকণার মতো—যাদের পদদলিত করা হয়। এর উদাহরণ হলো: জাপান ও ভারত। ভারত জনসংখ্যা ও ভূখণ্ডে অনেক বড়, প্রাকৃতিক সম্পদেও সমৃদ্ধ। তবু জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকার কারণে জাপানের মতো দেশের সামনে ভারতকে সাহায্যের হাত পাততে হয়।

ইসলাম এমন একটি ধর্ম, যা তার শুরু থেকেই শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে। প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা.) এমন এক সমাজে প্রেরিত হয়েছিলেন যেখানে নানা রকম কুসংস্কার, অশান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় বিরাজমান ছ