আরিফ আজাদ
আমি সর্বদাই একটা কথা আমার বন্ধু সার্কেলে বলি। সেটা হলো—ইসলামপন্থীরা যদি বাংলাদেশের রাজনীতি আর সমাজে মেইনস্ট্রিম হতে চায়, তাদেরকে ‘নারী’ ইস্যুটাকে ফেইস করতে হবে। নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য তাদের যে ম্যানিফেস্টো, সেটা সমাজের স্তরে স্তরে পৌঁছে দিতে পারতে হবে। যে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী, তাদের প্রশ্নটাকে ওভারলুক করে থাকলে এই দেশে মেইনস্ট্রিম হওয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়।
আলহামদুলিল্লাহ, খুব ঘটা করে আমাদের মূল ধারার আলিম ওলামাগণ, আমাদের অভিভাবকেরা এই ইস্যুকে এড্রেস করছেন দেখে আমি যারপরনাই আনন্দিত৷ আমার সমর্থন আর অভিনন্দন জানাই আপনাদের।
আবার, প্রগতিপাড়াতে দেখলাম ছবিটা নিয়ে শোরগোল উঠেছে৷ নারীর অধিকার নিয়ে আলাপ, কিন্তু মঞ্চে কেন কোনো নারী রাখা হয়নি—এই তাদের ক্ষোভ! তারা হাসাহাসি করছে, টিটকারি করছে।
প্রগতিপাড়ার এইসব প্রগতি ছাগলেরা ভাবেন যে, দুনিয়ার যাবতীয় ইস্যুকে তাদের ছক অনুযায়ী সবাইকে ডিল করতে হবে৷ যেন বা তারাই দুনিয়ার সমস্ত আদর্শের ইজারা নিয়েছেন।
ইসলামের আলাদা একটা প্রিন্সিপাল আছে। ইসলামে পুরুষ হলো নারীর অভিভাবক। এখন অভিভাবকেরা বসে যদি ঠিক করেন যে, কোন উপায়ে নারীকে তার অধিকার আদায় করে দেওয়া যায়, তাতে সমালোচনার কী আছে?
আর তাছাড়া, ইনসাফ ফাউন্ডেশনের এটাই তো একমাত্র এবং শেষ অনুষ্ঠানাদি বা কর্মযজà