সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

মাদরাসা শিক্ষাকে বিতর্কিত করছে কারা?


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী ||

বেফাকে নিবন্ধিত মাদরাসার সংখ্যা ৩২৮৩০টি। বাকি ৫টি বোর্ডের অধীনে আরও ৮/১০ হাজার মাদরাসা রয়েছে। নূরানী নাদিয়া মকতবখানা হাফেজিয়া তাহিলি ও দীনিয়া নামে আরও হাজার হাজার মাদরাসা আছে। এর বাইরে আরও কিছু সংস্থার অধীনে বহু হাফেজি ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এসব শিরোনামের বাইরে আরও প্রচুর ছোট বড় মকতব মাদরাসা আছে। সবমিলিয়ে বেফাকের প্রায় ৩৩ হাজারসহ ৬ বোর্ডের অধীনে কওমি মাদরাসার সংখ্যা কমপক্ষে ৪০ হাজার। এর বাইরেরগুলোসহ দেশে প্রায় ৫০/৬০ হাজার কওমি মাদরাসা হতে পারে। অনানুষ্ঠানিক নূরানী কোরআন শিক্ষা ও বয়স্কদের ইসলাম শিক্ষা কেন্দ্র ধরলে মাদরাসার সংখ্যা লাখের ঘর ছাড়িয়ে যাবে।  

মাদরাসা শিক্ষা বিরোধী অপপ্রচারের একটি ক্যাম্পেইন চলছে। মাদরাসাকে নিন্দিত ও ধ্বংসযোগ্য করে তোলার জন্য এই প্রোপাগাণ্ডা। গত তিনমাসে মাদরাসা সম্পৃক্ত জনশক্তির বিষয়ে ৫৭টি অভিযোগ প্রচারিত হয়েছে। এরমধ্যে ৫২টি মিথ্যা ও চক্রান্তমূলক। ৫টি অভিযোগ মামলাধীন। তদন্ত ও বিচার শেষে দোষী সাব্যস্ত হলে এমন অপরাধীর দায় আলেমসমাজ নেবে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অমুসলিম ব্যক্তিকেও  ইমাম ও শিক্ষক সেজে অপরাধ করে শত শত বছরের এ মহান পেশা ও মর্যাদাবান শ্রেণির বদনাম করতে নিয়োজিত করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।  বৃহত্তর ফরিদপুর ও উত্তর বঙ্গের কিছু জেলায় অমুসলিম ইমাম ও শিক্ষক ধরা হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষাকে এসব মন্দ স্বভাবের ব্যক্তি বিডর্কের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। যদিও কোনো ব্যক্তির অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা এর নিবন্ধন বাতিল করা যায় না। ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা যায়।

কিছু মাদরাসা শিক্ষকের খামখেয়ালিপনা সমাজ মাধ্যমে আসছে। এসব শিক্ষক ও তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট অনিয়ম ও অপরাধ সম্পর্কে জানা থাকলে তথ্য উপাত্ত ও প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানানো প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। নীতিমালার আলোকে ব্যবস্থা নিতে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সপক্ষে ভূমিকা পালন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে বোর্ড কর্তৃপক্ষ  বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায়ও আনতে হবে।

লেখক: প্রধান পরিচালক, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ