সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

তিনি ক্যান্সার রোগীদের বিনা পয়সায় গন্তব্যে পৌঁছে দেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম: 
ক্যান্সার রোগীর খোঁজে রাস্তায় অপেক্ষায় থাকেন এই অটোরিকশা চালক! সামনে তেমন কাউকে পেলেই হলো। বিনা পয়সায় সেই রোগীকে হাসপাতাল, বাড়ি বা যেকোন গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ায় তার কাজ। তিনি ভারতের আগরতলার ডুকলি পঞ্চায়েতের ঘোষপাড়ার হারাধন দাস বৈদ্য।

সংসারে ভরপুর মানুষ। কিন্তু প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়ির খরচের কথা ভাবেন না তিনি। শহরের নাগেরজলা, রাধানগর বা চন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে অটোরিকশায় অপেক্ষা করেন কোনও ক্যান্সার রোগীর।

হারাধন বলেন, এক দিন দেখি বাসস্ট্যান্ড দু’জন দাঁড়িয়ে। এক জনের গলায় কেমোথেরাপির দাগ। ওদের ধরে অটোরিকশায় তুলে নিই। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর টাকা না নেওয়ায় অবাক হয়েছিলেন তারা। প্রাণভরে আশীর্বাদ করেন। এটাই বড় প্রাপ্তি।

ওই অটোরিকশা চালকের বক্তব্য, ক্যানসার একটা পরিবারকে কী ভাবে শেষ করে দেয়, তা দেখেছি। এক দিকে শারিরীক যন্ত্রণা, অন্য দিকে আর্থিক। এ ভাবেই তা-ই ওদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

এ কাজে তার বন্ধু অটোরিকশা। সেটিতে পোস্টার লাগিয়েছেন হারাধন। লিখে দিয়েছেন তার ফোন নম্বরও। কিন্তু তেমন ভাবে সাড়া না মেলায় হতাশ তিনি।

তার কথায়, অনেকে বিশ্বাসই করতে চান না যে বিনা ভাড়ায় ক্যান্সার রোগীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিই। হারাধন জানান, এখনও পর্যন্ত শ’খানেক রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছেছেন। তার এই সেবার খবর জানাতে সম্প্রতি তিনি বিজ্ঞাপন লাগানোর চেষ্টা করছেন।

এ কাজে সাহায্যের জন্য ত্রিপুরা ক্যান্সার হাসপাতাল সুপারের কাছে ফোন নম্বর দিয়ে রেখেছেন হারাধন। কোনও রোগীর প্রয়োজনে ঐ নম্বরে ফোন করলেই হাজির হন তিনি।

তিনি বলেন, ‘রোগীদের আশীর্বাদই আমার পুরস্কার। আর কিছু চাই না। আমার স্ত্রী, ছেলেও এ বিষয়ে একমত।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ