মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

সরকারি চাকরি না পেয়ে হতাশায় ঢাবি ছাত্রের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ করেন। এরপর দীর্ঘদিন সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করেন, ফল মেলেনি। ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন। চলতে থাকে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, আশা অনুযায়ী কিছুই পাননি।

পরীক্ষা দিতে দিতে ‘ক্লান্ত’ হয়ে গেলেও কোনো ‘সুখবর’ না আসায় হতাশা বাসা বাঁধে বুকের ভেতর। আর এ হশাতা থেকেই  বেছে নিলেন ‘আত্মহত্যার’ পথ।

আত্মহত্যা করীর নাম তানভীর রহমান। শনিবার (৩১ মার্চ) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনের নিচ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, ভবনের নবম তলার বারান্দা থেকে নিচে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তানভীর। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায়, বাবা মুক্তিযোদ্ধা ফসিউর রহমান। ঢাকায় থাকতেন খালা মেহেরুন্নেসার বাসায়। সবশেষ চাকরি করতেন উত্তরায় একটি বায়িং হাউজে।

একমাত্র পুত্রসন্তানের এমন মৃত্যুতে পাগলপ্রায় ফসিউর রহমান বলেন, ‘হতাশা থেকে এমন কাজ করবে ছেলে, জীবনেও কল্পনা করতে পারিনি। মারা যাওয়ার দেড় মাস আগে একবার তানভীর বাড়িতে এসেছিল। কয়েকদিন বাড়িতে থেকে যাওয়ার সময় তার মায়ের পায়ে ধরে সালাম করেছিল। বলেছিল মা তোমাকে সালাম করে যাই। আর কোনোদিন দেখা না হতে পারে।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ