মুজাহিদুল ইসলাম: গত বছরের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী-হিসেবে ঘোষণা দেন। এবং সেখানে আমেরিকান দূতাবাস স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত দেন।
সে অনুযায়ী এ বছরের ১৪ মে তিনি তেলআবিব হতে জেরুসালেমে আমেরিকান দূতাবাস স্থানান্তর করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্ত ইসরাইল ও ফিলিস্তিনীদের মাঝে যে কোন আলোচনায় জেরুসালেমকে আর রাখা হবে না। যা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি চরম আঘাত।
অথচ ১৯৯১ সালের নভেম্বরের মাদ্রিদ শান্তি আলোচনার সময় হতে মার্কিন পক্ষ ফিলিস্তিনীদের আশ্বস্ত করে আসছিল, ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের পারস্পারিক আলোচনাই জেরুসালেম শহরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
১৯৯৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস তেল আবিব হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত দেয়। তখন হতে মার্কিন যুক্তারাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টগণ এ সিদ্ধান্ত প্রতি ছয় মাস পরপর বিলম্বিত করার জন্য সাক্ষর করে আসছেন।
২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যাত হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের বেশ কিছু প্রভাব ইতোমধ্যে পড়েছে। গুয়েতেমালা ও প্যারাগুয়ে তেলআবিব হতে অধিকৃত জেরুসালেমে তাদের দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা দেয়।
পাশাপাশি দখলদার ইসরাইল জেরুসালেমে দূতাবাস স্থানান্তরে রাজি করানোর চেষ্টা করছে।
অনুরুপভাবে দখলদার ইসরাইল জেরুসালেমে আরো ইহুদী বসতি স্থাপন, ফিলিস্তিনি বিভিন্ন নিদর্শন মুছে ফেলা ও ফিলিস্তিনি সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিচারের আওতায় আনার মাধ্যমে জেরুসালেমে তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে।
সূত্র: আলজাজিরা