মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত 

ইন্তেকালের পর মৃতকে দ্রুত দাফন করবেন না দেরিতে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসমাঈল আযহার: আমাদের সমাজে লাশ বা মৃতব্যক্তির ব্যাপারে একটা কথা অনেকেই বলেন, নবী স. এর দাফন কাজে দুদিন বিলম্ব হয়েছিল, অতএব দাফন কাজে বিলম্ব করা অবকাশ আছে। অনেকে মনে করেন, বিলম্ব করাই সুন্নাত।

আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ স. সমস্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসতেন রাসুল স. কে। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম যে অবস্থার সম্মুখিন হয়েছিলেন তা সবার কাছে সুস্পষ্ট।

রাসুল স. নির্দেশ অনুযায়ী হযরত আয়শা রা. সংকীর্ণ ঘরের ভেতরে গোসল, কাফন, জানাযা সবকিছুই করতে হয়েছে। এই সংকীর্ণ স্থানে অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম, মুমিন, মসলমানের জানাযা আদায়ের বিষটি অত্যন্ত বিবেচনার বিষয়। দু’তিন জনের বেশি জানাযা আদায়ের কোনো সুযোগই ছিল না সেই ঘরে। তাই রাসুল স. শ্রেষ্ঠ মার্যাদা এবং পরবর্তী সমস্যাগুলো বিবেচনার পর এমন কথা বলা ধৃষ্টতার অন্তর্ভূক্ত।

বহু হাদিসে এমন রয়েছে যেখানে রাসুল স, তাড়াতাড়ি মৃতকে দাফন করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব সুস্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে ইন্তেকালের পর একটি বিষেয় প্রয়োজনের মুহূর্তের ঘটনাকে মাধ্যম করে মৃতকে দাফন কাফনে বিলম্ব করার এ উক্তি অর্থহীন এবং নিতান্তই দুঃখজনক।

সূত্র: দাফন কাফনের মাসলা মাসায়েল।

আইএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ