বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত করেছে চীন: স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি অনানুষ্ঠানিক স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এ রুল দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

উইঘুরদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত জন্মনিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ্যকরণ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের প্যানেলটি আইনজীবী ও শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার জিওফ্রে নাইস। তিনিই ট্রাইব্যুনালের রুল পড়ে শোনান।

জিওফ্রে নাইস বলেন, উইঘুর ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দীর্ঘ মেয়াদে কমানোর জন্য চীন একটি ইচ্ছাকৃত, পদ্ধতিগত ও সমন্বিত নীতির প্রয়োগ করেছে বলে এই প্যানেলের কাছে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্যানেল বিশ্বাস করে- চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জিনজিয়াং অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যালঘুদের নির্যাতন-নিপীড়নের প্রাথমিক দায় বহন করেন।

ট্রাইব্যুনালের প্যানেল আরও বলেছে, তারা উইঘুর জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা সংগঠনের প্রমাণ পেয়েছেন।

অনানুষ্ঠানিক স্বাধীন এই ট্রাইব্যুনালের রুলের কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে চীন সরকার জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ট্রাইব্যুনালের রুলিংয়ের প্রতিক্রিয়ায় চীনের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, এটি একটি মেকি ট্রাইব্যুনাল। জনগণকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু চীনবিরোধী গোষ্ঠীর ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার এই ট্রাইব্যুনাল।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জিনজিয়াংয়ের বিভিন্ন বন্দিশালায় ১০ লাখের মতো লোককে (যাদের বেশিরভাগ উইঘুর জনগোষ্ঠীর) চীন আটকে রেখেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন ও সাবেক বন্দিরা এই বন্দিশালাগুলোকে নাৎসি জার্মানির সময়কার ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের’ সঙ্গে তুলনা করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ