আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার জন্যই ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
পাকিস্তানের তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার দাবিকে গুলি চালিয়েও দমিয়ে রাখতে পারেনি। অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে বাংলা আজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের প্রাণের ভাষা। অথচ ভাষা আন্দোলনের ৭০ বছর পার হলেও সরকারিভাবে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চর্চা শুরু হয়নি।
আমাদের আদালত, শিক্ষাব্যবস্থা, গবেষণা সহ জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বাংলা ভাষা চর্চা শুরু হয়নি যা অত্যন্ত দু:খজনক। নিজস্ব মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কাজ করে আজকে উন্নত দেশগুলো সমৃদ্ধ হয়েছে। তাই হীনমন্যতা বাদ দিয়ে বাংলা ভাষা ও ইসলামী মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আদালত ও উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় তাদের নাগালের বাহিরে। প্রতিনিয়তই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। এমতাবস্থায় সরকারের উচিৎ আতি দ্রুত দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা।
খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
বিজয়নগরস্থ মজলিস মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল আফিজ খসরু।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল হক, মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবুল হোসাইন।
এইচ এম হুমায়ুন কবির আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, হাজী হারুনুর রশীদ, বায়তুলমাল সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মোঃ সেলিম হোসাইন, অফিস সম্পাদক এডভোকেট এস. এম সানাউল্লাহ, মল্লিক মোহাম্মদ কিতাব আলী, আলহাজ্ব আবদুর রহমান, মাওলানা সরদার নেয়ামতুল্লাহ, মহিউদ্দিন জামিল, এবিএম শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
বার্তা প্রেরক
-এটি