আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পতনোন্মুখ আওয়ামী লীগ বিভিন্ন জনপদে মরণ কামড় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার খুলনার পাইকগাছা ও কপিলমুনিতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ‘খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফারুক হোসেন, যুবনেতা আবু বক্কর, ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হোসেন, দেবেন ঘোষ, আবু জাফরকে, কপিলমুনিতে হামলা চালিয়ে মারধর, লাঞ্ছিত ও হুমকি দিচ্ছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। ফারুক হোসেনের অবস্থা গুরুতর।এই সন্ত্রাসী বাহিনী গত দুই দিন ধরে বিএনপি ও যুবদল নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট চালাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নেতা কর্মীদের ওপর যে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তা বর্তমান গণবিচ্ছিন্ন সরকারের আমলে চলমান ক্ষমতার মদমত্ততার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একটি ঘৃণ্য বহিঃপ্রকাশ। নিশিরাতের ভোট ডাকাতির মাধ্যমে পাইকগাছা-কয়রায় এমপি হওয়া আখতারুজ্জামান বাবুর নির্দেশে তার গুন্ডা বাহিনী তাণ্ডবলীলা মেতে উঠেছে। এখন আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আরও ভয়ংকর রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে।’
সরকার নিজেদের ব্যর্থ চেহারা ঢাকতেই বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর ওপর সহিংস হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু সরকারের জনসমর্থন নেই, তাই ক্ষমতায় টিকে থাকতে ফ্যাসিবাদী নীতিকেই অবলম্বন করেছে। পাইকগাছায় বিএনপি ও অঙ্গ দলগুলোর ব্যাপক জনসমর্থন ও জনজোয়ার দেখে আওয়ামী অপশক্তির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। পতনোন্মুখ আওয়ামী লীগ এখন বিভিন্ন জনপদে মরণ কামড় দিচ্ছে। কিন্তু তাদের শেষ রক্ষা হবে না।
মির্জা ফখরুল বলেন, কপিলমুনিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি এবং আহত নেতা কর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।
-এটি