শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২১ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সংঘর্ষে বাসের ভেতরে মোটরসাইকেল, নিহত ২ রাজধানীতে ভয়াবহ গ্যাস সংকট, কেন ঢাকার বহু এলাকায় গ্যাস নেই? আগামী নির্বাচন ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: ফাওজুল কবির খান স্বপ্নেই চিনেছিলেন সন্তানের কবর, ডিএনএ মিলল সেই গাছের নিচেই ভারতে এবার পশু চুরির অপবাদে মুসলিম ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গাইডলাইন’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর একপক্ষীয় নির্বাচনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে: পীর সাহেব চরমোনাই সিরাজগঞ্জে রেললাইনে কাঠ দিয়ে জোড়াতালি আইনুল হক কাসিমীসহ গ্রেপ্তার আলেমদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি

পাকিস্তানে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত, সরকারি ছুটি ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে বন্দরনগরী করাচির বিভিন্ন যায়গায় নতুন করে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায় বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোতে একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে অঞ্চলটির কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায়ও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর জিও নিউজ।

রোববার (২৪ জুলাই) রাতে সিন্ধু প্রদেশের ভারি বৃষ্টিতে নতুন করে করাচি ও হায়দ্রাবাদে বেশকিছু স্থানে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। বন্ধ হয়ে গেছে যাচলাচল। জলাবদ্ধতার কারণে স্কুল কলেজের পাশাপাশি বাজারগুলোও বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, কাল রাত থেকে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পানি রাস্তা থেকে আমাদের কলোনিতে প্রবেশ করেছে। অনেক ঘরবাড়িও তলিয়ে গেছে। সারারাত ধরে পানি সরানোর কাজ করেছি। যার কারণে ঠিক মতো ঘুমাতেও পারিনি। এই ময়লা পানি থেকে নিজেদের রক্ষা করব কীভাবে তা জানা নেই।

ভয়াবহ এ জলাবদ্ধতার কারণে এরই মধ্যে একদিনের জন্য সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। শহরের ড্রেন ও খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই এ জলাবদ্ধতা। এ জন্য কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। এরই মধ্যে আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত সিন্ধু প্রদেশজুড়ে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

বিরূপ আবহাওয়ায় নয় হাজারের বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নগরবাসীর অভিযোগ, শহরের ড্রেন ও খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ জলাবদ্ধতা। এ জন্য কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন তারা।

গত ২১ জুলাই লাহোরেই সর্বোচ্চ ২৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এদিন প্রবল বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবৃষ্টিও দেখা দেয়। পানিতে তলিয়ে যায় শহরের নিম্নাঞ্চলের বহু বাড়িঘর। ডুবে যায় রাস্তাঘাট, বিঘ্নিত হয় গাড়ি চলাচল। পাকিস্তানজুড়ে পাঁচ সপ্তাহেরও বেশি মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ