মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্করী বন্যায় নিহত প্রায় ১ হাজার, ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান শাহবাজের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চয়ে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত। পাহাড়ি ঢল আর পানির তোড়ে বিপর্যস্ত খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান আর সিন্ধু প্রদেশ। বিধ্বস্ত হয়েছে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। বন্যায় ভেসে আর ভূমিধসে নতুন করে প্রাণ গেছে অর্ধশত মানুষের। মোট নিহতের সংখ্যা ১ হাজারের কাছাকাছি। সবমিলিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পাকিস্তানের ৪ কোটি মানুষ।

বন্যার প্রলয়ংকারী রূপ কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তাই যেন দেখছে পাকিস্তান। পানির তোরে চোখের নিমিষে ভেসে যাচ্ছে বহুতল ভবন, সড়ক আর সেতু। খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধু আর বেলুচিস্তান যেন পৌরাণিক কোনো গল্পের ধ্বংসাবশেষ। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চলছে ভাঙন। গেল কয়েক দিনে বন্যা এবং ভূমিধসে অন্তত ৫০টি হোটেল ভেসে গেছে। অন্যদিকে ভেঙে পড়েছে ২৪টির মতো স্থায়ী এবং অস্থায়ী সেতু।

এরইমধ্যে সিন্ধু অঞ্চলের সুকুর, রোহরি, খায়েরপুর, ফয়েজগঞ্জসহ ১০টি শহর পুরোপুরি তলিয়ে গেছে পানির নিচে। অঞ্চলগুলোয় এখনও আটকা পড়ে আছে বহু মানুষ। নিখোঁজ অনেকে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, খুব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। ২০১০ সালে সবশেষ বন্যার প্রলয়ঙ্করী রুপ দেখেছিলাম আমরা। কিন্তু এখন যা হচ্ছে তা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।

এদিকে, সড়ক ও রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সম্ভব হচ্ছে না উদ্ধার কাজ। কঠিন হয়ে পড়েছে ত্রাণ সরবরাহ। এ অবস্থায় কিছু এলাকায় ত্রাণ সহায়তা দেয়া হলেও তা খুবই অপ্রতুল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আল জাজিরা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ