শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সপ্তাহের শেষেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দাবি ট্রাম্পের ইরানের খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের খেলাফত আন্দোলন ঘুরে ফের ইসলামী আন্দোলনে নান্নু মুন্সী গাইবান্ধার সেই মূর্তি স্থাপনের কাজ বন্ধ ঘোষণা চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন

আমরা অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি : সেতুমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে আমরা আমাদের অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা আপনাকে অভিবাদন, আপনাকে গোটা জাতি স্যালুট করে। সারা বিশ্বে আপনি আজ প্রশংসিত। আপনি প্রমাণ করেছেন আমরাও পারি। নিজের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করে প্রমাণ করেছেন। দুঃসময় চ্যালেঞ্জ নিয়ে সবকিছু অতিক্রম করে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন আমরা বীরের জাতি। প্রধামন্ত্রী একা নন, রেহানা, জয়, পুতুল, ববির কী অপরাধ ছিল? একটি পরিবারকে টার্গেট করে হেনস্থা করা হয়েছে। শুধু পরিবার নয়, সারা জাতিকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে সেতুর বিনিয়োগ থেকে সরে গিয়ে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারসহ অনেককেই অপমান করা হয়েছে। আমরা আমাদের অপমানের প্রতিশোধ নিয়েছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার মতো এমন কমিটেড মানুষ যদি না থাকতেন এমন সঙ্কট, এত প্রতিবন্ধতা অতিক্রম করতে পারতাম না। যারা পদ্মা সেতুর নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারা জানেন এখানে কাজ করা কঠিন ছিল। বঙ্গবন্ধুর কন্যার ডাকে সাড়া দিয়ে পদ্মাপাড়ের অনেক মানুষ তাদের বাপ-দাদার বাড়ি ছেড়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। পদ্মা সেতুর জন্য একজনেরই কৃতিত্ব। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা, শেখ হাসিনা। কেন পদ্মা সেতুর সঙ্গে তার নাম থাকবে না সেটাই ছিল সবার দাবি। কিন্তু তিনি সেটি গ্রহণ করেননি। কাগজের লেখা নাম ছিঁড়ে যাবে, ব্যানারে লেখা নাম ছিঁড়ে যাবে, পাথরে লেখা নাম মুছে যাবে, কিন্তু হৃদয়ে লেখা নাম রয়ে যাবে। যতদিন পদ্মা সেতু থাকবে সম্মানের সঙ্গে আপনার নামটি উচ্চারিত হবে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ