মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

বাগেরহাটে বর-কনেসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনা অনুসন্ধানে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিনকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন-বিআরটিএ বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক লায়লাতুল মাওয়া ও জেলা পুলিশের নবম গ্রেডের সমমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশও দেবে তারা। যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, নিহতদের প্রতি পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বর ও কনের দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বিআরটিএর দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা তহবিলসহ অন্যান্য সহায়তা নিয়ম অনুযায়ী পাবেন নিহত ও আহতদের পরিবার।

এরআগে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ১৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন বর-কনে ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- মোংলা উপজেলার মেলা বুনিয়া এলাকার বর আহাদুর রহমান ছাব্বির, তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক, বরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তার ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ, আরফা ও ইরাম। কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম এবং মাইক্রোবাস চালক নাঈম।

মাইক্রোবাস চালক নাইমের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের সিংগেরবুনিয়া গ্রামে। শুক্রবার জুমার আগে গ্রামের বাড়িতে তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

জুমার নামাজের পর মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে আব্দুর রাজ্জাকসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যের জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে মোংলা কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। অপরদিকে কনে মিতুসহ তার পরিবারের চারজনের দাফন কয়রা এলাকায় সম্পন্ন হয়েছে।

নিহত বর ছাব্বিরের মোংলা শহরে মোবাইলের দোকান ছিল। কনে মিতু কয়রার নাকসা আলিম মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ