রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে যা বললেন জাতীয় মসজিদের খতিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র ও সকল পর্যায়ে মানুষের মাঝে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে 
সুন্দরভাবে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আবদুল মালেক। 

তিনি বলেছেন,সুন্দরভাবে বলা কোরআনের নির্দেশনা। এর মাধ্যমে ব্যক্তি-সমাজ-রাষ্ট্র সকল পর্যায়ে মানুষের মাঝে শান্তি-সম্প্রতি বজায় থাকবে। 
যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে হলে ইনসাফের সাথে সুন্দরভাবে বলতে হবে। 
কাউকে ঘায়েল করা বা আক্রমণাত্মকভাবে কথা বলা অনুচিত।

শুক্রবার ( ৩ জানুয়ারি )  জুমার বয়ানে তিনি আরও বলেন, সৎকাজের আদেশ অসৎকাজ থেকে নিষেধ করার ক্ষেত্রে যে কোনো প্রকার জুলুম করা, আক্রমণাত্মক ভাবে ঘায়েল করা, কাউকে গালমন্দ করা বা তিলকে তাল বানিয়ে প্রকাশ করা গুনাহের কাজ।
সর্বদা নসিহতের নিয়তে কল্যাণকামী হয়ে সুন্দরভাবে সুন্দর কথা বলতে হবে। এর মাধ্যমেই সমাজের সংশোধন হবে।

তিনি আরও বলেন, ইনসাফের সাথে সুন্দর কথা সুন্দরভাবে বলার কারণে স্বার্থপর মানুষ যদি কষ্ট পায় তাহলে ব্যক্তির গুনাহ হবে না। কিন্তু কারো উপস্থাপনের অসুন্দর্য বা কথার মাধুর্যতায় মার্জিত ভাব না থাকার কারণে যদি কেউ কষ্ট পায় তাহলে এতে গুনাহ হবে। 
অসুন্দর কথার কারণে দূরত্ব তৈরি হয়, বিভেদ তৈরি হয়; যা অনেক সময় হাতাহাতি বা মারামারির দিকেও নিয়ে যায়। এটি কখনো মুসলমানের কাজ হতে পারে না। 

মতবিরোধপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে সতর্ক করে তিনি বলেন, বিদআতের পথে চলতে চলতে কেউ যদি আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, তাকেও হকের পথে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রে আচরণ-উচ্চারণ মার্জিত হতে হবে। 
তাকে বুঝানোর জন্য দলিল প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে; কিন্তু তাকে কষ্ট দিয়ে কোন কথা বলা যাবে না। আর যাদের গোমরাহী এতটা কঠিন নয়, 
যা আহলে সুন্নাহ আল জামাত থেকে তাদেরকে বের করে দেয় না, যা বিভিন্ন মুসলিম দল-উপদলের মধ্যে হয়ে থাকে, তাদেরকে আহলে সুন্নাহল জামাতের পথে আহবানের ক্ষেত্রে আরও বেশি মার্জিত আচরণ করতে হবে। 

বিনু/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ