রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

বিদায়ের সময় ‘খোদা হাফেজ’ বলা কি ঠিক?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রশ্ন: কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা শেষ হওয়ার পর “আলহামদুলিল্লাহ, বাই বাই, খোদা হাফেজ” বা “আল্লাহ হাফেজ” বলা কি ইসলাম অনুযায়ী ঠিক?

উত্তর: ইসলামে কোনো বৈঠক বা বাড়িতে আগত ব্যক্তির জন্য সুন্নত হলো সালাম দেওয়া। যেমন উপস্থিতির সময় “আসসালামু আলাইকুম”, তেমনি বিদায়ের সময়ও “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ” বলা সুন্নত।

বিকল্প শব্দ, যেমন “খোদা হাফেজ” বা “আল্লাহ হাফেজ” বলা বৈধ হলেও এতে সালামের সুন্নত পরিত্যাগ হয়। তাই মুসলমানদের উচিত সাক্ষাত ও বিদায়ের সময় সালামের সুন্নত অনুসরণ করা।

ইসলাম আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে, সাক্ষাত ও বিদায়ের সময় এই সালাম বলার মধ্যে রয়েছে সওয়াব, বরকত ও কল্যাণ।

হাদিসে বলা হয়েছে:

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
“তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না ঈমান আনবে, আর তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না একে অপরকে ভালবাসবে। আমি কি তোমাদের তা বাতলে দেব না যা করলে তোমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তা হলো, তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।”
— সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১০০ (আন্তর্জাতিক নং ৫৪-১)
হাদিসের লিংক: https://muslimbangla.com/hadith/7153

উত্তর দাতা:
মুফতি জাওয়াদ তাহের,
মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর, ঢাকা

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ