সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশ্বজুড়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান শুরু হতে আর মাত্র ৩৬ দিন বাকি রয়েছে। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাকটিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজানের প্রথম দিন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। মহাকাশ গবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। খবর গালফ নিউজের। 

হিজরি সনের মাসগুলো সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছরই রমজান ও ঈদের সুনির্দিষ্ট তারিখের ক্ষেত্রে একদিনের হেরফের হয়। দুবাইয়ের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজানের সম্ভাব্য শেষ দিন হতে পারে আগামী ১৯ মার্চ, যা ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃহস্পতিবার। সেই হিসাব অনুযায়ী, ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে হিজরি বর্ষপঞ্জির রজব মাস চলছে। সাধারণত হিজরি মাসগুলো চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখা গেলেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাঁদ দেখা কমিটি সুনিশ্চিতভাবে রোজার তারিখ ঘোষণা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও ইতিমধ্যে ১৮ ফেব্রুয়ারিকেই সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রমজান মাস শুরুর এই সম্ভাব্য সময়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। তবে প্রতিবারের মতো এবারও নিজ নিজ দেশে চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই কেবল রোজা ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ