মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ আজ সোমবার (৭ জুলাই) এক বিবৃতিতে বলেছেন, দীর্ঘদিন থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক নিয়োগ বেশির ভাগই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে করা হয়ে আসছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। 

ইতোমধ্যে আবেদনপত্র জমাদান প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে। আমরা একান্তই আশা করবো, নিরপেক্ষ ও প্রশ্নাতীত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দক্ষ, মেধাবী, দল নিরপেক্ষ এবং সাহসী বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে আমাদের বিচার বিভাগ এক অনন্য মাত্রায় উন্নীত হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। তথ্যের অবাধ ও স্থায়ী প্রবাহ সকলের কর্মকাণ্ড ও অতীতকে মানুষের সামনে উন্মুক্ত করে রাখে। ফলে বিচারক হিসেবে যারা নিয়োগ পাবেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং তাদের যোগ্যতা, নিয়োগ প্রক্রিয়া, যারা নিয়োগ পেলেন আর যারা নিয়োগ পেলেন না তাদের যোগ্যতার মধ্যে তুলনামূলক পর্যালোচনা হবে। আমরা আশা করি, তখন সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মতো একটা সুন্দর পদ্ধতি বিতর্কিত হবে না। অতএব, পুরো প্রক্রিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ সতর্কতার সাথে নিতে হবে। বিতর্ক হতে পারে এমন সকল কিছু এড়িয়ে যেতে হবে। 

অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ বলেন, আমরা অতীতের কারণে শঙ্কিত। অতীতে বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, নিয়মানুযায়ী আবেদনপত্র চাওয়া হয় ঠিকই কিন্তু তার আগেই শর্টলিস্ট করে রাখা হয়। আবেদনপত্র চাওয়া, পরীক্ষা-সাক্ষাৎকার নেওয়া সবকিছুই হয় লোক দেখানো। এই ধরনের ছলচাতুরি করেই আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আশা করে, নতুন সম্ভাবনার এই মাহেন্দ্রক্ষণে হাইকোর্টের বিচারক নিয়োগে এমন কোনো ছলচাতুরি হবে না। আমরা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ চাই বলেই আমরা পুরো প্রক্রিয়ার প্রতি সতর্ক নজর রাখবো। আমরা নিয়োগ শেষে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ দিতে চাই। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমাদের ধন্যবাদ দেওয়ার সুযোগ করে দিন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ