শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২১ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সংঘর্ষে বাসের ভেতরে মোটরসাইকেল, নিহত ২ রাজধানীতে ভয়াবহ গ্যাস সংকট, কেন ঢাকার বহু এলাকায় গ্যাস নেই? আগামী নির্বাচন ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: ফাওজুল কবির খান স্বপ্নেই চিনেছিলেন সন্তানের কবর, ডিএনএ মিলল সেই গাছের নিচেই ভারতে এবার পশু চুরির অপবাদে মুসলিম ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গাইডলাইন’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর একপক্ষীয় নির্বাচনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে: পীর সাহেব চরমোনাই সিরাজগঞ্জে রেললাইনে কাঠ দিয়ে জোড়াতালি আইনুল হক কাসিমীসহ গ্রেপ্তার আলেমদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি

৪২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ওমরাহ করালো কাতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাতারের ওয়াকফ ও ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪২ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ওমরাহ করিয়েছে। এসব শিক্ষার্থীরা বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে কাতারে লেখাপড়া করতে এসেছে। লেখাপড়ায় বিশেষ কৃতিত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে তাদেরকে ওমরাহ করানো হয়েছে

শিক্ষার্থীরা গত ২৮ ডিসেম্বর ২৫ ওমরাহতে যায় এবং ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ফিরে আসে। ওমরাহর সফরে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে ছিল গাম্বিয়া, সেনেগাল, মরিতানিয়া, বেনিন, সোমালিয়া, বুরকিনা ফাসো, তিউনিসিয়া ও কোমোরোস। আর এশিয়ার ভেতর ইন্দোনেশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পাশাপাশি গ্রেট ব্রিটেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরাও এই সফরে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শিক্ষা ও প্রশাসন বিভাগের সাতজন তত্ত্বাবধায়কের দিকনির্দেশনায় ওমরাহ সফর পরিচালিত হয়। সফরের সূচনা হয় মদিনা মুনাওয়ারা থেকে। যেখানে শিক্ষার্থীরা মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় করেন এবং কুবা মসজিদ ও উহুদ শহীদদের কবরস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন, যাতে তারা নবী (সা.)-এর জীবনী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। মদিনায় অবস্থান শেষে শিক্ষার্থীরা মক্কায় গমন করেন এবং ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। কর্মসূচিতে মক্কায় তারা জাবালে সাওর, আরাফাত, পবিত্র কোরআন জাদুঘর ও ওহি জাদুঘর পরিদর্শন।

মন্ত্রণালয় জানায়, উদ্যোগটি শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের সমন্বয় সাধনের একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। কর্মসূচির আওতায় জুল-হুলাইফাহ মিকাত থেকে শুরু করে ওমরাহর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ ও সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলতে তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্বসহ ছোট ছোট দলে ভাগ করা হয়, যা পারস্পরিক সম্মান ও দলগত চেতনা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

আওকাফ মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে যে, এই বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দেশে শান্তি ও হেদায়াতের দূত হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য। কাতার থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করে তারা যেন তাদের সমাজে মধ্যপন্থী ইসলাম ও প্রজ্ঞার বার্তা পৌঁছে দিতে পারে।

সূত্র: দ্য পেনিনসুলা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ